“ত্রাণ চাই না, কংক্রিটের বাঁধ চাই।”- গোসাবায় প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ ইয়াস দূর্গতদের।

“ত্রাণ চাই না, কংক্রিটের বাঁধ চাই।”- গোসাবায় প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ ইয়াস দূর্গতদের।

নিজস্ব প্রতিবেদন: ইয়াস তছনছ করে দিয়েছে বাংলার পূর্ব মেদিনীপুর উপকূল এবং সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা। সুন্দরবনের সন্দেশখালি থেকে শুরু করে গোসাবার পাখিরালয়, পাঠানখালী, দয়াপুর সহ বিস্তীর্ণ এলাকা গুলো তছনছ হয়ে গিয়েছে। এখনো পর্যন্ত বহু জায়গা থেকে জল নিষ্কাশিত হয়নি। বহু জায়গাতেই নদীভাঙনে বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। আমফানের পরেই তৈরি হ‌ওয়া কিছু বাঁধ ভেঙে পড়েছে।

তাই এখন এলাকাবাসী দাবী করছেন যে তাদের এলাকায় নদীবাঁধ গুলি কংক্রিটের করা হোক। গতকাল ত্রাণ নিয়ে গোসাবায় গিয়েছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। তাঁর সাথে জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ প্রতিম মন্ডল‌ও ছিলেন। গতকাল তারা গোসাবার অন্তর্গত বিভিন্ন নদীর বাঁধ গুলি পরিদর্শন করেছেন।গোসাবা ব্লকের ঢুকে গিয়েছে বিদ্যাধরী , মাতলা প্রভৃতি নদীর জল। বেশ কিছু এলাকায় এখনও কোমরসমান জল দাঁড়িয়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন-রাজ্যে বিধিনিষেধের মধ্যেই আবার নতুন নিয়ম লাগু করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

ভেঙে যাওয়া বাঁধ কাদামাটি দিয়ে সারানো হচ্ছে। সেই মাটি আবার জোয়ারের জলে ধুয়ে নদীতেই মিশে যাচ্ছে। যার ফলে আবার কোনো বিপর্যয় এলে সহজেই ভেঙে যাচ্ছে নদীর বাঁধ। তাই এখন গোসাবা সহ অন্যান্য এলাকার মানুষজন পাকা কংক্রিটের নদী বাঁধ চাইছেন। তাই গতকাল গোসাবা ব্লক অফিসের কাছে সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বেশ কিছু মানুষজন। তারা গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়েছিলেন যাতে লেখা ছিল, ‘আমরা ত্রাণ চাইনা।

আরও পড়ুন-ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্থ তাজপুর – মন্দারমনিতে পরিদর্শন করতে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

আমরা কংক্রিটের বাঁধ চাই।’ তারা সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রীর কাছে বারবার দাবী জানিয়েছেন শক্ত বাঁধ এর জন্য। বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা বলেছেন, “যে সমস্ত অঞ্চলে ম্যানগ্রোভ রোপণ করা হয়েছিল সেখানে ততটা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তাই এবার বেশিরভাগ বাঁধে ম্যানগ্রোভ রোপন করা হবে। সেই সাথে অনেক জায়গাতেই কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণ করা হবে।“মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ম্যানগ্রোভ রোপন করার উপর জোর দিয়েছেন।