“নির্বিঘ্নে ভোট সম্পন্ন হ‌ওয়ার জন্যেই বাহিনীকে ঘেরাও করার কথা বলেছিলাম নির্বাচন কমিশনের নোটিসের জবাব দিলেন মমতা

“নির্বিঘ্নে ভোট সম্পন্ন হ‌ওয়ার জন্যেই বাহিনীকে ঘেরাও করার কথা বলেছিলাম নির্বাচন কমিশনের নোটিসের জবাব দিলেন মমতা

নিজস্ব প্রতিবেদন: কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মন্তব্য করায় নির্বাচন কমিশন আবার নোটিশ ধরিয়েছিলো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে। এই নোটিশে নির্বাচন কমিশন বলেছে মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে পরপর জনসভায় সিআরপিএফ, বিএসএফের এর দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন, তা ইমোশনাল স্পিচ ফর উওমেন এর পর্যায়ে পড়ে।

এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী বিএসএফের সম্পর্কে অভিযোগ করেছিলেন যে তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে মানুষকে ভয় দেখিয়ে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রভাবিত করছে, এই মর্মে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ভিডিও সহ প্রমান চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন, কিন্তু প্রমাণ দিতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। তাই বিএসএফ কে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য সমীচীন নয় এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন একথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এই নোটিশের জবাব‌ও তাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে দিতে হবে, নাহলে একতরফা সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন, এমনটাই জানিয়েছিলো নির্বাচন কমিশন।এদিকে কমিশনের চিঠির উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী ব্যাখ্যা দিয়েছেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে অনেক জায়গাতেই, আমি ঘেরাও করা বলতে বোঝাতে চেয়েছি তাদের কৃতকার্যের দরুন সম্মিলিতভাবে তাদের সামনে প্রতিবাদ প্রদর্শন করা।আমি এনজিও বাহিনী কে যথেষ্ট শ্রদ্ধা করি এবং সম্মান করি।

আরও পড়ুন-“মুখ্যমন্ত্রী জনসাধারণকে শেখাচ্ছেন কীভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করতে হবে”- শিলিগুড়িতে মমতাকে বিঁধলেন মোদী।

‌ কিন্তু ভোটের এই আবহে তারকেশ্বরের রামনগরে এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জ‌ওয়ান , এক বালিকার শ্লীলতাহানি করেছে, থানায় এফআইআর করা হলেও এখনো নির্বাচন কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি, আবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে তারা ভোটারদের প্রভাবিত করছে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়ার জন্য।

আমরা এটার অভিযোগ করেছি , তারও কোন মীমাংসা হয়নি। ‌ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের রাতারাতি সরিয়ে দিলো নির্বাচন কমিশন। আমি শুধুমাত্র বলেছিলাম মহিলারা গণতান্ত্রিকভাবে জ‌ওয়ানদের ঘেরাও করুন। কোনরকম অশান্তি সৃষ্টি করবেন না। আমি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরার মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছিলাম শান্তিপূর্ণ আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান। ‌ আমি কোনরকম নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করিনি।”