নিউজটেক নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“বিজেপি করার প্রায়শ্চিত্ত করলাম।”- মাথা ন্যাড়া হয়ে বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদান ৫০০ জন কর্মীর।

নিজস্ব প্রতিবেদন: ক্রমেই ভাঙন আরো গাঢ় হচ্ছে বিজেপির অন্দরে। মুকুল রায় তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করার পরেই বিজেপি শিবিরে দেখা দিয়েছে অন্তর্কলহ। মুকুল রায়ের পথে পা বাড়িয়ে রয়েছেন রাজীব বন্দোপাধ্যায় সহ বিজেপির আরো নেতারা। মুকুল রায় নিজে বলেছেন যে তার সাথে বহু বিজেপি নেতারা যোগাযোগ করছেন তৃণমূলে আসবে বলে।

এদিকে মুকুল রায় তৃণমূল প্রত্যাবর্তন করার পর থেকেই নির্বাচনী বিপর্যয়ের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য নেতৃত্ব এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন রাজ্যের বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। অনেকেই বলেছেন, নির্বাচনী প্রচারে হিন্দিভাষী নেতাদের আধিপত্য ভালোভাবে নেয়নি বাংলার মানুষ জন। যার দরুণ এবার বিজেপির হারের পরেই বাংলায় বাড়ছে গেরুয়া শিবিরে ভাঙনের ঘটনা। একুশের ভোটের আগে ব্যাপকভাবে ভাঙন দেখা দিয়েছিলো তৃণমূলে।

আরও পড়ুন-“আগে মানুষগুলোকে বাঁচাতে হবে।”- জলমগ্ন ঘাটাল ঘুরে দেখলেন তৃণমূল সাংসদ দেব

এবার ঠিক উল্টো পরিস্থিতি বিজেপিতে। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ভীড় জমাচ্ছেন তৃণমূল নেতা কর্মীরা। গত সোমবার তৃণমূলে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগদান করেছেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। যার দরুণ যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি শিবির।

আর গঙ্গাপ্রসাদের তৃণমূলে যোগদানের পরেই এবার শীর্ষনেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি রাজকমল পাঠক। এবার বিজেপিতে আরো ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিলো হুগলির আরামবাগে। বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদান করলেন প্রায় ৫০০ জন বিজেপি কর্মী। আবার তারা সকলেই স্ব‌ ইচ্ছায় মাথা ন্যাড়া করে তৃণমূলে যোগদান করেছেন।

আরও পড়ুন-তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য ভ্যাকসিন এর ব্যবস্থা করলেন মিমি চক্রবর্তী

তাঁরা বলেছেন যে ‘তাঁরা নাকি বিজেপি করার প্রায়শ্চিত্ত করেছেন মাথা ন্যাড়া করে।’এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দার বলেছেন, “ভোটের আগে আমাদের কর্মীদের ভুল বুঝিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব তাদের দলে টেনে ছিল। এখন সেই কর্মীরা তাদের ভুল বুঝতে পেরেছেন, তাই তাঁরা নিজের ইচ্ছায় প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য মাথা ন্যাড়া করে তৃণমূলের ফিরে এসেছেন। আগামী দিনে আরো অনেকেই তৃণমূলে ফিরবেন।”

Related Articles

Back to top button