‘দুয়ারে রেশন কীভাবে হবে? দুয়ারে রেশন আসলে ভাঁওতাবাজি’; ভোটপ্রচারে এসে দাবি করলেন মিঠুন!

‘দুয়ারে রেশন কীভাবে হবে? দুয়ারে রেশন আসলে ভাঁওতাবাজি’; ভোটপ্রচারে এসে দাবি করলেন মিঠুন!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে ব্রিগেড সমাবেশের মাধ্যমে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করেছিলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী।প্রথম দিকে তাকে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ভাবা হলেও পরবর্তীতে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তিনি নিজেই জানান, শুধুমাত্র গেরুয়া শিবিরের প্রচার এর জন্যই যোগদান করেছেন তিনি। এমতাবস্থায় পঞ্চম দফার ভোট প্রচার এর আগে রায়নায় উপস্থিত হয়েছিলেন মিঠুন।

এদিনের জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী সহ শাসক দলের বিভিন্ন প্রকল্পকে আক্রমণ করেন তিনি।পাশাপাশি বিজেপির সোনার বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষের সমস্ত আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করার দাবি জানান অভিনেতা। প্রসঙ্গত এর আগেও ব্রিগেডে তৃণমূলে যোগদান করা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।যদিও মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে প্রত্যক্ষভাবে কোন মন্তব্য করতে শোনা যায়নি মিঠুনকে। এদিন রায়নার সভা থেকে শাসক দলকে উদ্দেশ্য করে অভিনেতা বলেন,”রেশন সাধারণ মানুষের অধিকার। এক্ষেত্রে কোনও রকম বঞ্চনা চলবে না।

আরও পড়ুন-‘মমতার বিরুদ্ধে প্রচার বন্ধ করে দিয়ে মামলা দায়ের করা উচিত’; দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ!

ভিক্ষে নয়, মানুষকে তার হকের পাওনা দিতে হবে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এক্ষেত্রে বঞ্চনার ধারা শেষ হবে”।তৃণমূল কংগ্রেস ক্রমাগত নিজের প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে মানুষের সাথে বঞ্চনা করে যাচ্ছে বলেই দাবি করেন মিঠুন।এদিন মহাগুরু আরো বলেন যে,”দুয়ারে রেশন কীভাবে হবে? দুয়ারে রেশন আসলে ভাঁওতাবাজি”! পাশাপাশি তৃণমূলের স্বাস্থ্যসাথী কার্ডকেও কটাক্ষ করেন মিঠুন চক্রবর্তী।তিনি বলেন,”কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে অনুসরণ করে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প চালু করেছে তৃণমূল।কিন্তু আয়ুষ্মাণ ভারত কার্ড থাকলে দেশের যে কোনও জায়গায় চিকিৎসার সুযোগ পাওয়া যাবে”।

পাশাপাশি মিঠুনের বক্তব্য অনুসারে,”রাজ্যে নিজের স্বার্থে আয়ুষ্মান ভারত চালু হতে দেয়নি তৃণমূল সরকার। রাজ্যের মানুষদের কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বঞ্চিত করাই মমতা সরকারের লক্ষ্য।আমাকে যতই আটকানো হবে, ততই বাধা ভেঙে এগিয়ে যাব”।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য সরস্বতী পুজোর দিন হঠাৎ করেই আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত মিঠুনের বাড়িতে উপস্থিত হলে তার বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা চরমে পৌঁছেছিল। এরপর ৭ ই মার্চ ব্রিগেড সমাবেশ উপলক্ষে রীতিমতো অনেকটা বাঙালি আদবকায়দায় মঞ্চে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌহার্দ্য বিনিময় করে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করেন মহাগুরু।