“উনি কথায় কথায় ধর্ণায় বসে পড়ছেন।”- মুখ্যমন্ত্রী কে কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ।

“উনি কথায় কথায় ধর্ণায় বসে পড়ছেন।”- মুখ্যমন্ত্রী কে কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ।

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্যের মাটিতে স্বচ্ছ এবং অবাধ নির্বাচন করতে প্রথম থেকেই সচেষ্ট নির্বাচন কমিশন। ‌ কিন্তু নির্বাচনের প্রথম দফার শান্তিপূর্ণভাবে মিটলেও দ্বিতীয় দফা থেকেই রাজ্যের সর্বত্র হিংসা হানাহানি ঘটনা ঘটছে। কোচবিহারের শীতলকুচি তে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রাণ গিয়েছে ৪ জনের। এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে কাজ করছে, বিজেপি কেন্দ্রীয় বাহিনী কে কাজে লাগিয়ে মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোট আদায় করছে। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের দায়ে ২৪ ঘন্টা মুখ্যমন্ত্রীর জনসভা নিষিদ্ধ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

জানা গিয়েছে গতকাল সোমবার রাত আটটা থেকে আজ মঙ্গলবার রাত আটটা পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের জনসভা নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আজ দুপুরে তৃণমূল প্রার্থী চিরঞ্জিত এর সমর্থনে বারাসাতে সভা করার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। এই সভা হবে আজ রাত সাড়ে আটটায়। তার পরই তিনি বিধান নগরে গিয়ে রাত ন’টা নাগাদ তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুর সমর্থনে সভায় অংশগ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন-“২৪ ঘন্টার জন্যে না, পুরো নির্বাচন থেকেই তাকে ব্যান করা দরকার।”- মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন দিলীপ ঘোষ।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে আজ বেলা ১২ টা থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীর ধরনায় বসার পরিপ্রেক্ষিতে বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী তো কথায় কথায় ধরনায় বসে পড়েন, সংসদে একটা আইন পাস হলে উনার আপত্তি শুরু হয়ে যায়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকার বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে ধরনা শুরু করে দেন, এবার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে ধরনায় বসে পড়ছেন।

একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এই বিষয়টি উনাকে শোভা পায় না। বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নিয়েছিলো কিন্তু আমরা সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলাম। ‌ তৃণমূল নেত্রী এই সমস্ত ধর্নার মাধ্যমে নির্বাচনী কার্যকলাপে বাধা দিতে চাইছেন, তিনি কোনো নিয়ম-কানুন মানছেন না।”