গানের সুরে তিনি জিতেছেন সকলের হৃদয়, এবার রাজনৈতিক ময়দানে নেমেও আশাবাদী তৃণমূল প্রার্থী তথা গায়িকা অদিতি মুন্সি।

গানের সুরে তিনি জিতেছেন সকলের হৃদয়, এবার রাজনৈতিক ময়দানে নেমেও আশাবাদী তৃণমূল প্রার্থী তথা গায়িকা অদিতি মুন্সি।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে বহুল পরিমাণে তারকা যোগ হয়েছে বাংলার রাজনৈতিক সংগঠন গুলিতে। বিশেষ করে তৃণমূল আর বিজেপি তে এবারে গ্ল্যামারের ঘনঘটায় একুশের ভোট হয়ে উঠেছে আরো রঙিন। তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন কৌশানি মুখোপাধ্যায়, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিক, জুন মালিয়া প্রমুখ। তৃণমূলে অনেক আগে থেকেই রয়েছেন সংসদ তথা অভিনেতা দেব, অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহান।

তেমনি বিজেপিতে এবারে তারকা প্রার্থীদের আগমন ঘটেছে। বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন অভিনেত্রী পায়েল, শ্রাবন্তী, অভিনেতা যশ, হিরণ প্রমুখেরা। প্রার্থীরা নিজেদের নিজেদের কেন্দ্রে জোরদার প্রচার করেছেন।তবে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে এবারে যথেষ্ট নজর কাড়ছেন গায়িকা অদিতি মুন্সি। অত্যন্ত সৌন্দর্য এবং সুরেলা কন্ঠের অধিকারিনী অদিতি এবারে রাজনৈতিক ময়দানে নেমে যথেষ্ট আশাবাদী যে তিনি ধরাশায়ী করবেন তার প্রতিপক্ষ বিরোধীদের।

আরও পড়ুন-শীতলকুচি কান্ডে গতকাল রাজ্য জুড়ে কালা দিবস পালন তৃণমূলের। গলায় কালো উত্তরীয়, হাতে মোমবাতি নিয়ে বর্ধমানে রোড শো করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

অদিতি মুন্সি তাঁর সুরের জাদুতে জিতে নিয়েছেন বাংলার মানুষের হৃদয়। তাঁর সেই জনপ্রিয়তা কে কাজে লাগিয়ে ভোটের ফসল নিজের ঘরে তুলতে মরিয়া তৃণমূল। এবারে অদিতি রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন। তিনি প্রথম থেকেই প্রচারাভিযানে মনোনিবেশ করেছেন। মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছেন, সকলের আশীর্বাদ চাইছেন। অগণিত সমর্থক পরিবেষ্টিত হয়ে রোড শো করছেন, ঢাক-ঢোল সহকারে মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছেন অদিতি।

আরও পড়ুন-“মমতা যাদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন, ফলকে সেই পাঁচটি নাম দেখুন”- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিশানা করলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন

অদিতি মুন্সির প্রতিদ্বন্দী রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্য এবং বাম সংযুক্ত মোর্চার শুভজিৎ দাশগুপ্ত। তবে শুধুমাত্র নিজের কেন্দ্র ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন জনসভায় গিয়েছেন অদিতি মুন্সি। হরিনামের জাদুতে তিনি বহু মানুষের হৃদয়ে তরঙ্গের উদ্ভব ঘটিয়েছেন। নন্দীগ্রামেও প্রচারে গিয়েছিলেন অদিতি।অদিতি বলেছেন, “আমি সদ্য রাজনীতিতে এসেছি, কিন্তু আমার কনফিডেন্স আরো বেড়ে গিয়েছে মানুষের সাথে থেকে, মানুষের আশীর্বাদ আরো বেশী করে পাচ্ছি। তাতে আমার কাজের উদ্দীপনা আরো বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে।”