তিন তিনবার সুযোগ পেয়েছেন তিনি ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার, জীবদ্দশায় জ্যোতি বাবুর রেকর্ড ভাঙতে পারেনি কেওই!

জ্যোতি বসু । ভারতবর্ষের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা এক বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বের নাম। তাঁর মুখ্যমন্ত্রীত্বে এক স্বর্ণযুগের সূচনা হয়েছিলো বাংলায়। তাঁর পিতা ছিলেন বিখ্যাত চিকিৎসক নীলকান্ত বসু। মা হেমলতা দেবীর ছিলো বিপ্লবীদের প্রতি অগাধ শ্র-দ্ধা। সুভাষচন্দ্রের ভাষণ শুনতে যেতেন স্কুল পালিয়ে। ছোটোবেলা থেকেই এক বৈপ্লবিক ভাবাবেগের সঞ্চার ঘটেছিলো তাঁর মনের মধ্যে।

বিদেশে ব্যারিষ্টারি পড়েও চাকরিতে যোগ না দিয়ে বাংলার রাজনীতির প্রেক্ষাপটে যোগদান করেন জ্যোতি বসু। বিধানসভার শুরুর সেই দিনগুলোতে বেতন ছিলো মাত্র ২৫০ টাকা। রাজনৈতিক জীবনে তিনি অনেক ওঠা পড়া দেখেছেন। যাবতীয় পত্র পত্রিকা তিনি ইংরাজিতে লিখতেন। বাসে ট্রামে রাজনৈতিক পত্রিকা বিক্রি করেছেন। সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় তাঁর রাজনৈতিক বিপক্ষ হলেও জ্যোতি বসু এবং সিদ্ধার্থ বাবু অকৃত্রিম বন্ধু ছিলেন একে অপরের।

আরও পড়ুন – এবার মুহূর্তে চার্জ হবে ফোন থেকে ল্যাপটপ, 120 ওয়াটের দারুন চার্জার আনলো এই কোম্পানি!

আজ এই বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব জ্যোতি বাবুর জন্মদিন। তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন ছিলেন ২৩ বছর ১৬৫ দিন। এই রেকর্ড এখনও পর্যন্ত কেউ ভাঙতে পারেনি। তিনবার প্রধানমন্ত্রী হ‌ওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু দলের‌ই আপত্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে আর বসা হয়ে ওঠেনি তাঁর। বছরটি ছিলো ১৯৯৬ সাল। দেশের মধ্যে তখন স-ঙ্ক-ট-জ-ন-ক পরিস্থিতি চলছে।

আরও পড়ুন – সুশান্তের আ’ত্মহ’ত্যার সময়ে পড়া পোশাক নিয়ে এলো চা’ঞ্চ’ল্যকর তথ্য, তদন্তে মুম্বাই পুলিশ!

সেইসময় ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর অনুরোধেও কুর্সিতে বসতে পারেননি জ্যোতি বাবু। এই ব্যাপারটি নিয়ে তিনি পরবর্তী কালে বারবার আফশোস করেছিলেন। আজ তিনি পৃথিবীর বুকে নেই। কিন্তু তাঁর কর্মকাণ্ড , রাজনৈতিক বিচক্ষণতা মানুষ জীবনভর মনে রেখে দেবে।

এখানে আপনার মতামত জানান