নিউজপলিটিক্সরাজ্য

হেস্টিংসের অফিসে তালা ঝুলছে মুকুল রায়ের ঘরে। খুলে দেওয়া হয়েছে নেমপ্লেট

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটের আগে রাজ্যে পালাবদলের একটা হাওয়া উঠেছিল । রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছিলেন যে এবারে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করে দিয়েছে। যার দরুন অনেকেই রাজনৈতিক কেরিয়ার বজায় রাখার জন্য জয় নিশ্চিত জেনে তৃণমূল থেকে বেরিয়ে এসে যোগদান করেছিলেন বিজেপিতে। বিজেপির নেতারাও তাদের জনসভা, রোড শো’তে কাতারে কাতারে মানুষের ভীড় দেখে আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে উঠেছিলো।

অমিত শাহ স্লোগান দিয়েছিলেন, ‘ইস বার দোশো পার।’ কিন্তু হয়তো ভীতরে ভীতরে অন্য সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছিলেন আপামর বাংলার মানুষজন। একুশের ভোটের রেজাল্টে দেখা গিয়েছে বিজেপির দখলে মাত্র ৭৭ টা সীট , সেখানে তৃণমূল ২১৩ টি সীট পেয়ে আবার তাদের বিজয়রথ ছুটিয়েছে বাংলা জুড়ে। তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি মুকুল রায়।

আরও পড়ুন-“রত্না চট্টোপাধ্যায়‌ও নাকি পরকীয়ায় যুক্ত।”- দাবী করলেন শোভন-বৈশাখী

তিনি ২০১৭ সালে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন। কিন্তু বিজেপির সাথে চার বছরের সম্পর্ক ত্যাগ করে তৃণমূলে আবার প্রত্যাবর্তন করেছেন মুকুল রায়। এর সাথে সাথেই হেস্টিংস এর বিজেপি কার্যালয়ের নয় তলার ৮০৩ নম্বর ঘরটির সমস্ত কিছু পরিবর্তন করে ফেলা হচ্ছে। মুকুল রায় এই ঘরটিতেই তাঁর কার্যাবলী সম্পাদন করতেন।

আরও পড়ুন-“দিলীপ ঘোষ পাগল, মাথামোটা।”- বললেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়।

দরজায় তাঁর নেমপ্লেট‌ও খুলে নিয়েছেন বিজেপির শীর্ষনেতারা। এখনো দরজায় নেমপ্লেটের জায়গায় রয়ে গিয়েছে মুকুল রায়ের নেমপ্লেটের ছাপ। ঘরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে তালা।নয় তলার বাঁ দিকে এই ঘরটি।

একসময় এই ঘরে ব্যাপক ভীড় লেগে থাকতো মানুষজনের। সকলের অবাধ প্রবেশের অধিকার ছিলো এই ঘরে। গত শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে মুকুল রায়ের এই ঘরে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে বিজেপি নেতারা। শুক্রবার‌ই পুত্র শুভ্রাংশু কে নিয়ে তৃণমূলে ফিরেছেন মুকুল রায়।

Related Articles

Back to top button