এই বিশেষ কারণগুলির জন্য মেয়েরা যমজ সন্তানের জন্ম দেয়!

এই বিশেষ কারণগুলির জন্য মেয়েরা যমজ সন্তানের জন্ম দেয়!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-মাতৃত্ব মেয়েদের ক্ষেত্রে একটি উপহারস্বরূপ। একজন মহিলা তখনই সম্পূর্ণ হবেন যখন তিনি মাতৃত্বের অধিকার লাভ করেন। সন্তানের জীবনে যেমন মায়ের গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, ঠিক তেমনভাবেই মায়ের জীবনেও সন্তানের ভূমিকা ততটাই ঘনীভূত। বলতে গেলে মাতৃত্বের সময়টাই জীবনের এক সুন্দর সময়। বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই আমরা দেখি যমজ সন্তানের জন্ম দেন মায়েরা।

এই শিশুদের নিয়ে আমাদের মনে অনেক সময়তে নানান ধরনের প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেসব প্রশ্নের উত্তর আমরা খুঁজে পাই না। আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা সেই যমজ শিশুদেরকে নিয়েই একটু বিশেষভাবে আলোচনা করব।তার আগে জানিয়ে রাখি বর্তমানে দিন প্রতিদিন যমজ সন্তানের জন্মের হার অত্যধিক পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে।১৯৮০ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত এই বৃদ্ধির হার ৭৬ শতাংশতে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন-অভিনব কৃতিত্বের নজির:দীর্ঘ মাইল পায়ে হেঁটে পড়াশোনা করার পরেও আজ ম্যাজিস্ট্রেট শিল্পী!

এই যমজ শিশু জন্ম নেওয়ার পিছনে বিশেষভাবে কয়েকটি কারণ রয়েছে।প্রথমত জানা যায় যেসব নারীদের সাধারণভাবে অন্যান্য নারীদের তুলনায় উচ্চতা বেশি হয় তাদের ক্ষেত্রে যমজ সন্তানের জন্ম দেওয়ার সুযোগ বেশি থাকে। কারণ মায়ের শরীরের সঙ্গে সব সময় শিশুদের শরীরের সম্পর্ক থাকে। আমাদের শরীরে ইনসুলিন নামে এক ধরনের হরমোন রয়েছে। এই হরমোন হাড়ের গাঠনিক কাজে সহায়তা করে।যার ফলস্বরুপ এই হরমোনের ধারা মেয়েদের যমজ সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা এবং উচ্চতা দুটো একসাথে নিয়ন্ত্রিত হয়।

পাশাপাশি চিকিৎসক এবং বৈজ্ঞানিকদের দাবি অনুসারে,ডিম্বাণু দিয়ে যদি একটি শুক্রকীটের মিলন হয়। একটা ভ্রুণ তৈরির সময় সেটা যদি হার্ড হয়ে যায় তখন, হুবহু একরকম দেখতে জমজ বাচ্চা জন্ম হবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আমাদের দেশের অনেক জায়গাতেই কিছু কুসংস্কার দানা বেঁধে রয়েছে। যেমন অনেকে মনে করেন একসাথে জোড়া কলা খেলে যমজ সন্তান জন্ম নেয়। এগুলি একেবারেই ভ্রান্ত ধারণা। কখনোই এইসব কুসংস্কারের বশবর্তী হয়ে কোন ভুল কাজ করবেন না।