নিউজটেক নিউজরাজ্য

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ থেকে পলাতক ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত মহিলা । চাঞ্চল্য মেডিকেল কলেজ চত্বরে।

নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনার পাশাপাশি চোখ রাঙাচ্ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ব্ল্যাক ফাঙ্গাস তাদের‌ই হতে পারে যাদের ক্যান্সার অথবা এইডস্ রয়েছে, যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, নিয়মিত স্টেরয়েড নেন যারা , এছাড়াও যাদের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা খুবই কম, অথবা যাদের মারাত্মক হারে করোনা আক্রমণ করেছে তাঁরা এই ভয়াবহ ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হতে পারেন। এইমস জানিয়েছে যে নাক থেকে কালচে রক্তপাত অথবা তরল বের হলে এই ফাঙ্গাস আক্রমণ করেছে বোঝা যাবে, এছাড়া মুখ অসাড় হয়ে যাওয়া, চোয়াল নাড়াতে কষ্ট হওয়া, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, চোখ খোলা বন্ধ করতে সমস্যা হওয়া দেখা দিলে বুঝতে হবে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের আক্রমণ ঘটেছে ।

এদিকে একটি ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে মুর্শিদাবাদের এক মহিলা চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন। তাঁর উপসর্গ দেখে চিকিৎসকদের সন্দেহ হয়েছিলো যে তিনি হয়তো ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তারপরেই তাঁর আরো কিছু নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন-“করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কম”- রিপোর্ট জারি করলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং AIIMS

এর পরেই আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না ওই মহিলার। এই ঘটনার পরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল জুড়ে।মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা ওই মহিলা বেশ কিছু শারীরিক উপসর্গ নিয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন। কিন্তু পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন যে তাঁর শরীরে হয়তো সংক্রমণ ঘটেছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের।

আরও পড়ুন-ভারতে করোনা মোকাবিলায় ১১৩ কোটি টাকা দান করতে চলেছে গুগল

মহিলাকে এই বিষয়ে অবগত করা হলে তিনি যথেষ্ট বিচলিত হয়ে পড়েন। এর কিছু সময় পরেই হাসপাতালে নার্সরা এসে দেখেন যে ওই মহিলা তার বেডে নেই। হাসপাতাল চত্বরে চারদিকে খোঁজাখুঁজি করে ওই মহিলার সন্ধান পাওয়া যায়নি। তারপরেই পুলিশ থানায় ওই মহিলার নিখোঁজের ডায়েরি করেছে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এই ঘটনায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাজুড়ে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে সংক্রমিত ওই মহিলা যদি ঠিক সময়ে চিকিৎসা না করান তাহলে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

Related Articles

Back to top button