নিউজকলকাতাপলিটিক্সরাজ্য

“আইএস‌এফের সাথে জোটগঠন ভুল সিদ্ধান্ত ছিলো।”- মোর্চার সাথে সম্পর্ক শেষ করে বললো সিপিএম নেতৃত্ব।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে বাংলার সিংহাসন দখল করার লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর ছিল সিপিএম।আইএসএফ এবং কংগ্রেসকে জোটসঙ্গী করে সিপিএমের সংযুক্ত মোর্চা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ছিলো যে তারা একুশের ভোটে বিপুল জনসমর্থন আদায় করতে সক্ষম হবে। এই লক্ষ্যে বেশ কিছু তরুণ মুখগুলিকে প্রার্থী করে নির্বাচনে লড়াই করেছিলো বাম সংযুক্ত মোর্চা।

কিন্তু এই প্রথম রাজ্যে নির্বাচনে কোনো খাতাই খুলতে পারেনি বাম সংগঠন।নির্বাচনের ফলাফলে যথেষ্ট বিধ্বস্ত হলেও এই হারের দায় শুধুমাত্র জোট সঙ্গী আইএসএফ এর উপর চাপাতে চায় নি বাম দুর্গ । কিন্তু এবারে একটি দীর্ঘ চিঠিতে বামনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র বিমান বসুরা কার্যত তাদের ভুল স্বীকার করে নিয়েছেন।

আরও পড়ুন-“একদিকে উপনির্বাচন চাইছেন। আবার অপরদিকে স্কুল-কলেজ ট্রেন বন্ধ করে রেখেছেন।”- মুখ্যমন্ত্রী কে তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ।

এই চিঠিতে তারা স্বীকার করেছেন যে জোট সঙ্গী হলেও ধর্মনিরপেক্ষতাকে পরিত্যাগ করে নিজেদের ধর্মীয় পরিচয়কে ত্যাগ করতে পারেনি আইএসএফ। সেই সাথে তারা জানিয়েছে যে , বাংলার মানুষ কখনোই সিপিএমের সাথে আইএস‌এফের এই জোট ভালোভাবে নেয়নি, এবং বাম নেতাদের বিজেমূল তত্ত্ব একদম‌ই ভুলে ভরা ছিলো। তাই সিপিএমকে বাংলার মাটিতে এত দুরবস্থার মধ্যে পড়তে হয়েছে।

এছাড়াও এই চিঠিতে লাল শিবির জানিয়েছে , “প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ‘কৃষি আমাদের ভিত্তি, আর শিল্প আমাদের ভবিষ্যৎ’ স্লোগানটি একদমই ব্যবহার করা হয়নি যার দরুন বর্তমান কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে বামপন্থীদের দূরত্ব অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ‌”

আরও পড়ুন-ত্রিপুরার মাটিতে তৃণমূলকে উজ্জীবিত করতে ত্রিপুরা রওনা দিলেন দেব।

কংগ্রেসের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জোট গঠন করা হলেও আই এস এফ এর সঙ্গে জোটে সক্রিয়তা ছিল না। এর আগেও সিপিএম একটি বিবৃতিতে দাবি করেছিল যে বিজেমূল তত্ত্বে প্রচার করা বাংলার মানুষ একদম‌ই ভালোভাবে নেয়নি।রাজ্যে বামশূন্য বিধানসভা দেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বয়ং হতাশা ব্যক্ত করেছিলেন।

Related Articles

Back to top button