নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“ক্ষমাই পরম ধর্ম”- হার্লে ডেভিডসনে চড়ে মুকুল প্রসঙ্গে বললেন মদন মিত্র।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাংলার রাজ্য রাজনীতি সরগরম তৃণমূলের মুকুল রায়ের প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে। বিজেপির সাথে চার বছরের সম্পর্ক শেষ করে আবার তৃণমূল অর্থাৎ তার পুরনো ঘরে প্রত্যাবর্তন করেছেন মুকুল রায়। তৃণমূলের তার প্রত্যাবর্তনে বিজেপি শিবিরে রীতিমতো উদ্বেগের কালো মেঘ জমাট বেঁধেছে। বিজেপির অন্দরে নেতাকর্মীদের অন্তর্কলহ শুরু হয়ে গিয়েছে।

বাংলায় বিজেপির বিপর্যয় একটি কেন্দ্রীয় হিন্দিভাষী নেতাদের উপরেই সরাসরি দায় চাপিয়ে দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য নেতারা। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের দলে নিয়ন্ত্রণের ভূমিকার উপরেও অনেকেই প্রশ্ন চিহ্ন তুলে দিয়েছেন। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে মিমের। মুকুল রায়ের বিজেপিতে প্রত্যাবর্তন কে ঘিরে মিমাররা উঠে-পড়ে লেগেছেন মুকুল রায়কে ট্রোল করতে।

আরও পড়ুন-“বাংলায় বিশ্বাসঘাতকদের কোন জায়গা নেই”- নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পোস্টার পরলো ডোমজুড়ে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় গতকাল থেকেই ট্রেন্ডিং হয়ে চলেছে বিভিন্ন মিম। এ রকমই একটি মিমে দেখানো হয়েছে , “আকাশ থেকে পরপর হেলিকপ্টার নামছে মাটিতে। আর সেই হেলিকপ্টারের দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের ঘাসফুল চিহ্ন। তার সাথে লিখে দেওয়া হয়েছে, ‘মুকুল রায় এবং তাঁর ছেলেরা তৃণমূলে ল্যান্ড করছে।’

এছাড়াও সোনার কেল্লা সিনেমার একটি দৃশ্য শেয়ার হয়ে চলেছে যাতে ছোট্ট কুশল চক্রবর্তীর ছবির নীচে লেখা রয়েছে , ‘আমি বাড়ি যাবো।’এ হেন মুকুল রায়কে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন তৃণমূল কর্মী সমর্থক রা। মুকুল রায় কে ক্ষমা করে দেওয়ার কথা বলেছেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। সদা সর্বদা রঙিন মেজাজেই থাকতে দেখা যায় তৃণমূলের এই দোর্দন্ডপ্রতাপ মন্ত্রীকে।

আরও পড়ুন-“বিজেপি থেকে আরো লোক তৃণমূলে আসবে”- বললেন মুখ্যমন্ত্রী।

কিন্তু কখনোই তাঁকে মেজাজ হারাতে দেখা যায়নি। তিনি সর্বদাই শান্ত , সংযত থাকেন। তবে তাঁকে আরো জনপ্রিয়তা দিয়েছে তাঁর একের পর এক ফেসবুক লাইভ। ফেসবুক লাইভে পরিপাটি পোশাকে তাঁকে প্রায়শ‌ই নানান বিষয়ে কথা বলতে দেখা যায়।

আজ হাওড়া বালিতে বস্তিবাসী শিশুদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন মদন মিত্র। সেখানে তিনি বস্তিবাসী শিশুদের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন। তার পরেই তিনি তাঁর দলের এক কর্মীর ২০ লাখ টাকার হার্লে ডেভিডসন চালিয়েছেন। এই অনুষ্ঠান থেকেই মদন মিত্র তার সহজাত সংযত ভঙ্গিতে মুকুল রায়ের প্রত্যাবর্তন সম্পর্কে বলেছেন, “যীশুখ্রীষ্ট থেকে বুদ্ধদেব সকলেই একটাই কথা বলেছেন , ক্ষমাই হলো পরম ধর্ম।

আরও পড়ুন-“মুকুলের শরীরটা খারাপ হয়ে যাচ্ছিলো। ও শান্তি পেলো।”- বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি পাশে থাকেন তাহলে কিছুরই দরকার লাগে না। ২০২৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর মুখ হয়ে উঠবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই তাঁর পাশে থাকাটাই আমি শ্রেষ্ঠ পাওয়া বলে মনে করি।”

Related Articles

Back to top button