ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ভুলে আবার একসাথে মিটিং করলেন শতাব্দী-অনুব্রত।

ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ভুলে আবার একসাথে মিটিং করলেন শতাব্দী-অনুব্রত।

নিজস্ব প্রতিবেদন: এমনিতেই সবসময় খবরের শিরোনামে জায়গা করে নেন। বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল প্রথম থেকেই নানান বেফাঁস মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে জায়গা করে নেন। এ হেন সেই অনুব্রত মন্ডলের সাথে বহুদিন থেকেই কিছুটা দ্বন্দ্ব ছিলো বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের সাথে।প্রায়শই দেখা গিয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে সরব হতেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়।

তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের বিষয়টি নিয়ে প্রথম থেকেই যথেষ্ট ওয়াকিবহাল ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনিও নিজে উদ্যোগ নিয়ে তাদের মধ্যে পারস্পরিক দূরত্ব ঘোচাতে সচেষ্ট হয়েছিলেন। জানা গিয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলের জন্য একসময় নাকি তৃণমূল ত্যাগ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন শতাব্দী রায়। কিন্তু তখনকার মতো মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এই বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হয়।

আরও পড়ুন-আবার ভাঙ্গন গেরুয়া শিবিরে। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি জেলা সভাপতি যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলে।

অবশেষে বহুদিন পরে অনুব্রতর সাথে এক মঞ্চে দেখা গেল তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়কে। গত রবিবার বীরভূমের জেলা কমিটির বৈঠকে একই মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন শতাব্দী রায় এবং অনুব্রত মণ্ডল। এমনকি তারা পরস্পরের সাথে রীতিমতো খোশ মেজাজে অনেকক্ষণ গল্প‌ও করেছেন। তিনবছর পরে এক মঞ্চে দেখা গিয়েছে তাদের।

আরও পড়ুন-রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একরাশ অভিযোগ তুলে রাজ্যপালের সাথে আবার সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এর আগে লোকসভা ভোটের আবহে বোলপুরে জেলা কমিটির মিটিংয়ে তাঁরা পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিলেন।এই প্রসঙ্গে শতাব্দী রায় বলেছেন, “অনুব্রত বাবুর সাথে যে আমার সম্পর্ক ভালো নয় এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা রটনা। এর আগে মিটিং গুলিতে এমন পরিস্থিতি হয়েছে যে কখনো আমার সময় ছিলোনা মিটিংয়ে উপস্থিত হওয়ার , আবার অনেকসময় অনুব্রত বাবুর সময় হয়ে ওঠেনি।

আজকে আমরা দুজনেই সময় পেয়েছি, তাই অনেকদিন পরে আবার একে অপরের মুখোমুখি হতে পেরেছি। উনার সাথে আমার সম্পর্ক যথেষ্ট ভালো।”