নিউজ

পঞ্জশিরে নর্দার্ন অ্যালায়েন্স এবং তালিবানের মধ্যে চলছে ব্যাপক লড়াই।

নিজস্ব প্রতিবেদন: তালিবানের কব্জায় আফগানিস্তানের মাটি। তালিবানের রাজধানী কাবুল দখল করেই সরকার গড়ার পথে তালিবান। ইতিমধ্যেই আফগানিস্তানে শরীয়তী আইনবিধি চালু করে দিয়েছে তালিবান। বিগত ২০ বছর পর আবার তালিবানের ক্ষমতায় আসার পরেই যথেষ্ট আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। দেশ ছেড়ে অনিশ্চয়তার পথে যাত্রা করেছেন অনেকেই।

হাজার হাজার আফগান তালিবানের দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ না থাকতে চেয়ে প্রাণ হাতে করে বিমানের চাকা পর্যন্ত ধরে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছেন। যদিও তালিবান আশ্বাস দিয়েছে যে সাধারণ নাগরিকদের তারা কোনো ক্ষতি করবে না, তবুও আফগান মানুষেরা আশ্বস্ত হতে পারছেন না। আফগান মহিলারাও তাঁদের স্বাধীনতা ভুলুন্ঠিত হওয়ার আতঙ্কে দিনযাপন করছেন।

আরও পড়ুন –দিল্লি নেতাদের সাথে ঘনঘন ফোনালাপ। শেষমেষ পদবদল নিয়ে মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ।

এই আবহের মধ্যে অত্যন্ত বীরত্বের পরিচয় দিচ্ছেন আফগানিস্তানের উপরাষ্ট্রপতি আমিরুল্লাহ সালেহ। তিনি আফগানিস্তানের সংরক্ষক রাষ্ট্রপতি বলেই নিজেকে দাবী করেছেন এই সালেহর নেতৃত্বে এবার আফগান সেনা আবার লড়াইয়ের মনোবল ফিরে পেয়েছেন। ইতিমধ্যেই সালেহ’র সেনা পরবানের চরিকার অঞ্চল থেকে তালিবানদের খেদিয়ে দিয়ে ওই অঞ্চল তালিবান দখলমুক্ত করে নিয়েছে।

পঞ্জশীর এলাকায় এখনও আফগান সেনা এবং তালিবানদের মধ্যে ভয়াবহ লড়াই চলছে বলে জানা গিয়েছে। দশ হাজার আফগান সেনাকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেনাবাহিনীর জেনারেল আবদুল শরীফ। এদিকে পঞ্জশির দখলের জন্য মরিয়া হয়ে রয়েছে তালিবান। পঞ্জশিরে নর্দার্ন অ্যালায়েন্স এবং তালিবানের মধ্যে ব্যাপক লড়াই জারি রয়েছে। ইতিমধ্যেই তিনটি জেলায় আবার কব্জা করে ফেলেছে তালিবান।

আরও পড়ুন –“ভ্রান্ত ক্ষমার আশ্বাস।”- আফগানিস্তানের রাস্তায় অধিবাসীদের বেদম প্রহার তালিবানের।

তবে পঞ্জশিরে কব্জা করতে তাদেরকে ব্যাপক বেগ পেতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তিনশো তালিবানের মৃত্যু হয়েছে সংঘর্ষের ফলে এমনটাই জানা গিয়েছে। নর্দার্ন অ্যালায়েন্স তাদের জমি আঁকড়ে ধরে রূদ্ধশ্বাস লড়াই চালাচ্ছে। অমরুল্লাহ জানিয়েছেন যে, “আফগানিস্তানের এই পঞ্জশির দখলের উদ্দেশ্যে তালিবান সবরকমের খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। বয়স্ক এবং শিশুদের ঢাল হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।” সব মিলিয়ে ব্যাপক উত্তপ্ত পঞ্জশির।

Related Articles

Back to top button