‘শীতলকুচিতে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে’;দাবি তৃণমূল সুপ্রিমোর!

‘শীতলকুচিতে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে’;দাবি তৃণমূল সুপ্রিমোর!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-বর্তমানে সারা বাংলার রাজনীতি জুড়ে শুধুমাত্র গতকাল চতুর্থ দফার নির্বাচনে শীতলকুচি কাণ্ডেরই চর্চা হয়ে চলেছে।প্রসঙ্গত এই ঘটনার পর থেকে অত্যন্ত ক্রুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন রাজ্যের তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বিশেষত শীতলকুচিতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের যাতায়াতের ওপর নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর থেকেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন তিনি। গতকাল এই ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই কোচবিহার যাত্রার কথা জানিয়েছিলেন মমতা।

কিন্তু হঠাৎ করেই কিছুক্ষণ সময় পেরোনোর পর কমিশনের তরফে জানানো হয় আপাতত পরিস্থিতি যাতে উত্তপ্ত না হয়, তার জন্য আগামী 72 ঘন্টা শীতলকুচিতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের প্রবেশ নিষেধ।ইতিমধ্যে কোচবিহার সংলগ্ন সমস্ত বর্ডার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।শেষ পর্যন্ত এই অবস্থায় নিজের কোচবিহার যাত্রা বন্ধ করতে বাধ্য হন মমতা।কিন্তু জনসভা থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া সব জায়গাতেই গেরুয়া শিবিরকে আক্রমণ করতে শুরু করেন তিনি।

আরও পড়ুন-‘ওরা ৩ দিন আটকাবে, চতুর্থ দিন যাবোই’; শীতলকুচি কাণ্ডে কমিশনকে আক্রমণ করে হুংকার মমতার!

এদিন সকাল হতেই টুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের কাছে MCC এর নাম পরিবর্তনের দাবি তোলেন। পাশাপাশি জানান এখন তিন দিন আটকে রাখলেও চতুর্থ দিন তিনি কোচবিহারে যাবেনই। শুধু তাই নয় ভিডিও কলে নিহতদের পরিবারের সাথে কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী।শোকগ্রস্ত পরিবারবর্গকে সব ধরনের সাহায্য ও পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।ওই মৃত যুবকদের পরিবারকে সমস্ত রকমের আর্থিক সাহায্য করার কথা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের উপর তথ্য লুকানোর অভিযোগ জানান মমতা।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”শীতলকুচিতে গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে।অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও ভয়ঙ্কর ঘটনা, তথ্য চাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। তথ্য লুকোতে ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কমিশন।নির্বাচন কমিশনকে শ্রদ্ধা করি।অপদার্থ প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ক্নিনচিট দেওয়া হয়েছে বাহিনীকে।নজিরবিহীন ঘটনা, আমাকে আটকাতেই এই আইন”।