নিউজপলিটিক্স

“এই নির্বাচনেও পঞ্চায়েত ভোটের ছক গ্রহণ করেছিল তৃণমূল”- দাবি করলেন অধীর চৌধুরী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: আজ বাংলায় অষ্টম দফার অর্থাৎ শেষ দফার ভোট। আজ রাজ্যে ৩৫ টি আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। বীরভূমের ১১ টি আসনে, কলকাতার ৭ টি আসনে, মুর্শিদাবাদের ১১ টি আসনে, এবং মালদার ৬ টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই মানুষজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে বের হচ্ছেন। বেশ কয়েক জায়গায় থেকে হিংসা হানাহানির টুকরো টুকরো ঘটনা দেখা দিয়েছে। এমনিতেই সারা ভারত করোনার আঘাতে মুহ্যমান। দিকে দিকে শুধু মৃত্যুর আতঙ্ক।

তার মধ্যেও বাংলায় একুশের ভোট ঘিরে অব্যাহত রাজনৈতিক হিংসা হানাহানি। যেখানে বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষের সকলের উচিত একে অপরের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করা এই মহামারির বিরুদ্ধে , সেখানে রাজনৈতিক আবহে একে অপরের সাথে হিংসায় জড়িয়ে পড়ছে মানুষজন। শীতলকুচিতে ১২৬ নম্বর বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মারা গিয়েছেন ৪ তৃণমূল সমর্থক। বীরভূমের মাটিতে গতকাল উদ্ধার হয়েছে বোমা। ‌

আরও পড়ুন-“এমন শান্তিপূর্ণ ভোট আগে কখনো হয়নি।”- বেলগাছিয়ায় ভোট দিয়ে মন্তব্য মিঠুন চক্রবর্তীর।

রাজনৈতিক সন্ত্রাস’ ছড়ানোর জন্যই এই বোমা-গুলি মজুত করে রাখা হয়েছিল। বেশ কয়েকটি জায়গা থেকেই বোমাগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও আলিনগরে উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কয়েকটি তীর।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেছেন, ” আজ শেষ‌ পর্যায়ের নির্বাচনে তৃণমূল এবং প্রশাসনের একটা অংশ অসাধু আঁতাত গঠন করে পঞ্চায়েত ভোটের পুনরাবৃত্তি করার স্বপ্ন দেখেছিল , তৃণমূলের হার্মাদরা বলেছিলো যে, তারা পঞ্চায়েত ভোটের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েই ছাড়বে।

তৃণমূল বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাস করার চেষ্টা করেছে, কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং নির্বাচন কমিশন তারা মুর্শিদাবাদ জেলার এই ভোটকে শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনা করছেন। আমি একটা জিনিস দেখতে পেয়েছি যে এখনো পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী তৎপরতার সাথেই কাজ করে চলেছে। যার ফলে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করলেও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট পর্ব সম্পন্ন হচ্ছে। যে ধরনের সন্ত্রাস হয়ে থাকে এবার এই ধরনের সন্ত্রাস দেখতে পাচ্ছি না।”

Related Articles

Back to top button