নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“পাঞ্জাব ভেঙেও তো হরিয়ানা হয়েছে”- এবার বঙ্গভঙ্গ বিষয়ে মুখ খুললেন তথাগত রায়

নিজস্ব প্রতিবেদন: বঙ্গ বিভাজনের অভিযোগে নিরন্তর বিদ্ধ হচ্ছে বিজেপি। উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বারলা পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবিতে সরব হয়েছেন। তিনি বলেছেন “উত্তরবঙ্গের মানুষকে চিরটা কাল তৃণমূল সরকার বঞ্চিত করে এসেছে। তাই উত্তরবঙ্গ কে আলাদা রাজ্য রূপে গড়ে তুললে উত্তরবঙ্গের মানুষ সুখ-সমৃদ্ধির দেখা পাবেন।”

এই মন্তব্যে যথেষ্ট চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে বাংলার রাজ্য রাজনীতিতে। ‌ বিজেপির নেতারা জন বারলার এই দাবী সমর্থন না করলেও তাঁরা সকলেই একমত যে তৃণমূল সরকার উত্তরবঙ্গের মানুষের সাথে কেবলমাত্র বঞ্চনাই করে এসেছে।জন বারলার এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে দিনহাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে তৃণমূল। এই আবহে ঠিক এরকমই একটি মন্তব্য করে বিজেপির অস্বস্তির আগুনে ঘি ঢেলেছেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

আরও পড়ুন-“বৈবাহিক বিষয়ে ভুল তথ্য দিয়েছেন নুসরত।”- লোকসভার স্পীকারের দ্বারস্থ হলেন এই বিজেপি সাংসদ

জন বারলার মতো তিনিও এবার রাঢ়বঙ্গকে ভেঙে আলাদা রাজ্যের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন।এরপরে বিজেপির অস্বস্তি আরো কয়েকগুণ বাড়িয়ে জন বারলার হাত ধরেছেন উত্তরবঙ্গের আরো দুই বিজেপি বিধায়ক। মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিজেপি বিধায়ক আনন্দময় বর্মন , ডাবগ্রাম ফুলবাড়ীর বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গের বিভাজনের দাবিতে সরব হয়েছেন। বিজেপি শীর্ষ নেতারা দলের দুই সাংসদ জন বারলা এবং সৌমিত্র খাঁ কে সতর্ক করেছে যে পৃথক রাজ্যের দাবি কখনোই তোলা যাবে না।

আরও পড়ুন-“আলাপনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের কোনো প্রয়োজন নেই।”- আলাপন ইস্যুতে তাঁর পক্ষ নিলেন অধীর চৌধুরী।

ই পরিস্থিতিতে ফেসবুক পোস্টেই বিজেপি নেতা তথাগত রায় লিখেছেন, “পশ্চিমবাংলার সাংসদরা কেউ চাইছেন উত্তরবঙ্গ, রাঢ়বঙ্গ আলাদা হোক। এগুলোকে গুরুত্ব দেবার এখনই কোনো দরকার নেই। কিন্তু বাংলার মত হিন্দু-শিখের স্বার্থে পাঞ্জাবও বিভাজন হয়েছিল, তারপর কি পাঞ্জাব ভেঙে হরিয়ানা হয় নি ? ব্রাত্য বসু একটু ইতিহাস ঝালিয়ে নিলে ভালো করবেন।”

Related Articles

Back to top button