নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“আবেগে আঘাত আসবে না।”- রাজীবের প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে বললেন কুণাল ঘোষ।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বিধানসভা ভোটের আগে দলে দলে তাবড় তাবড় নেতা-নেত্রীরা তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। কিন্তু গতকাল তিনি আবার ফিরে গিয়েছেন তার আগের দল তৃণমূলে। মুকুল রায়ের তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের পরেই বিজেপির অন্দরে বৃদ্ধি পেয়েছে অন্তর্কলহ।

রাজীব বন্দোপাধ্যায় এবং প্রবীর ঘোষাল‌ও তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে পা বাড়িয়ে রয়েছেন। বিজেপির ঘরে এই ভাঙনে রীতিমতো শঙ্কিত রাজ্য বিজেপির কর্মকর্তারা। তৃণমূলের প্রাক্তন সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগদান করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে এসেছিলেন। ডোমজুড় থেকেই বিজেপির হয়ে লড়াই করে বিপুল ভোটে হেরেছেন তিনি।

আরও পড়ুন-সর্বভারতীয় স্তরে কাজ করার আগে বর্ষীয়ান নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করলেন অভিষেক।

হেরে গিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে অনেক সময়েই সোচ্চার হতে দেখা গিয়েছিলো রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় কে। কিন্তু ডোমজুড়ের মানুষ তথা তৃণমূল কর্মীরা কিছুতেই রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় কে তৃণমূলের ফিরিয়ে নিতে নারাজ। ডোমজুড়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এর নাম না করেই তার বিরুদ্ধে পোস্টার পড়েছে বিভিন্ন জায়গায়। বাঁকড়া এলাকায় এই পোস্টার গুলিতে লেখা রয়েছে , “মীরজাফর, বেইমান, গদ্দারদের কোনো ঠাঁই নেই তৃণমূলে।”

আরও পড়ুন-বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করেছেন। বিধায়ক পদ‌ও কি ছাড়বেন মুকুল রায় ?

কিন্তু কুণাল ঘোষ এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের আশ্বস্ত করেছেন। বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেছেন, “বিজেপিতে এখন অনেকেই মানিয়ে নিতে পারছেন না। বিধানসভা ভোটে হেরে গিয়ে বিজেপি এখন ভয় দেখাচ্ছে রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি করার। রাজ্যে সাম্প্রদায়িক দাঁড়াতে চাইছে বিজেপি।”

আরও পড়ুন-“যারা পিছন থেকে ছুরি মেরেছে তাদের ফেরানো হবে না”- বললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।

এছাড়া রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এর প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে কুনাল ঘোষ বলেছেন, “যারা ভোটের সময় দল ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন সমস্ত কিছু দল জানে, আবার দল এটাও জানে আপনারা দলকে জিতিয়েছেন। তাই আপনাদের আবেগে কোনরকম আঘাত আসবে না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্ত নেবেন কাকে নেওয়া হবে। ‌ তবে দলের স্বার্থের কথা চিন্তা করে এরকম কিছু সিদ্ধান্ত মাঝেমধ্যে নেওয়া দরকার।”

Related Articles

Back to top button