“শীতলকুচি করার ইচ্ছা রয়েছে?”- প্রতাপপুরে পুলিশকে শাসানি তৃণমূল নেতার।

“শীতলকুচি করার ইচ্ছা রয়েছে?”- প্রতাপপুরে পুলিশকে শাসানি তৃণমূল নেতার।

নিজস্ব প্রতিবেদন: আজ রাজ্যজুড়ে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন শুরু হয়েছে । চারটি জেলার মোট ৪৩ টি আসনে সম্পন্ন হচ্ছে ভোটগ্রহণ। উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর দিনাজপুর, এবং নদীয়া কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। এই ৪ টি জেলার এক তৃতীয়াংশ বুথ অত্যন্ত স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন । সকাল থেকেই বিভিন্ন জায়গা থেকে বিচ্ছিন্ন গন্ডগোলের ঘটনা ঘটেছে।

বেশ কিছু জায়গায় দেখা গিয়েছে নিজেদের মধ্যে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছে তৃণমূল বিজেপি কর্মী সমর্থক রা। আবার কিছু জায়গায় ভোটারদের ভোট দানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশন প্রথম থেকেই তৎপর হয়ে রয়েছে বাংলায় ভোটের এই আবহে যাতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে। স্বচ্ছ এবং অবাধ ভোট পরিচালনা করার জন্য সক্রিয় হয়ে রয়েছে নির্বাচন কমিশন। ‌ স্পর্শ কাতর এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া রাজ্য পুলিশ‌ও রয়েছে।

আরও পড়ুন-“এতদিন ভাটপাড়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে অশান্তি হত।”- বললেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং

আউশগ্রাম এর প্রতাপপুরে এক তৃণমুল নেতাকে দেখা গিয়েছে বুথের বাইরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীকে রীতিমতো শাসানি দিতে। এই ভিডিওটি যথেষ্ট ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।জানা গিয়েছে ওই টিএমসি নেতার নাম হল অরূপ মিদ্দা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে ওই এলাকায় ডাঙ্গাপাড়া হাই স্কুলের বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে জমায়েত করেছিলেন অরূপ মিদ্দা। কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা ওই টিএমসি নেতা কে ওখান থেকে জমায়েত সরানোর নির্দেশ দিলে অগ্নি শর্মা হয়ে পুলিশ অফিসার কে শাসাতে থাকেন অরূপ মিদ্দা।

তিনি বলেছেন,”কয়েকদিন পরেই আমাদের সরকার আসবে, তখন দেখব আপনি কত বড় অফিসার আর আমি কত বড়ো নেতা। সকলকে আপনারা ভাগিয়ে দিচ্ছেন কেন? আমাদের এখানে ভোট হল একটা উৎসব। সকলের বাড়িতে লোক এসেছে। অনেকদিন থেকেই আমাদের এখানে এটা একটা প্রচলন, সকলে ভোট দেখতে আসে। আপনারা সকলের সঙ্গে গরু-ছাগলের মতো ব্যবহার করছেন। ভারতের নাগরিক হিসেবে আমার মৌলিক অধিকার রয়েছে।

আপনি আমার মৌলিক অধিকার খর্ব করছেন। ‌ খুব সাবধান আমাদের চমকাবেন না। ‌ আপনাদের কি শীতলকুচি করার ইচ্ছা আছে? আপনারা ইলেকশন দেখাচ্ছেন?”এর উত্তরে ওই কর্তব্যরত পুলিশকর্মীকে বলতে শোনা গিয়েছে, “আপনি এখানে এসব কেন বলছেন? আপনার ভোট দেওয়া হয়ে গিয়েছে বাড়ি চলে যান।”এদিকে এই ভিডিওটি কে ঘিরে অনেকেই কঠোর সমালোচনা করেছেন ওই তৃণমূল নেতার। ‌