নিউজপলিটিক্সরাজ্য

বিজেপি রাজ্য সভাপতি পরিবর্তনের জল্পনা উড়িয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

নিজস্ব প্রতিবেদন: বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের, রাজ্য সভাপতি পদে কার্যকালের মেয়াদ এবার শেষ হতে বসেছে। এবার পরবর্তী রাজ্য বিজেপি সভাপতি কে হতে চলেছেন সেই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। জানা গিয়েছে স্বয়ং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা , দিলীপ ঘোষের কাছে পরবর্তী রাজ্য বিজেপি সভাপতি কাকে করা যায় সেই বিষয়ে প্রস্তাব চেয়েছেন। সেই প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বালুরঘাটের তরুণ বিজেপি সাংসদের নাম পরবর্তী রাজ্য বিজেপি সভাপতি হিসাবে উল্লেখ করেছেন দিলীপ ঘোষ এমনটাই গুঞ্জন উঠেছে।

কিন্তু এখনো তিনি এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।২০২২ সালের ডিসেম্বর নাগাদ রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। যদিও ২০১৮ সালেই তাঁর এই মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু লোকসভা ভোটের জন্য এক্সটেনশন দেওয়া হয়েছিল দিলীপ ঘোষকে। কারণ পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দিলীপ ঘোষের প্রভাব রয়েছে অনেকটাই বেশি।

আরও পড়ুন-“আমরা সকলেই মুখ্যমন্ত্রীর পাশে রয়েছি”- কলকাতায় এসে বার্তা দিলেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি

তাই এই মর্মে দিলীপ ঘোষের উপর প্রথম থেকেই যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে আসছে দল।দ্বিতীয় বারেও বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদে আসীন হন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী দু বারের বেশী কেউ রাজ্য সভাপতি পদে আসীন থাকতে পারেন না। তাই এবার দিলীপ ঘোষের বিকল্প খোঁজা শুরু হয়ে গিয়েছে ।

এই পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা দিলীপ ঘোষের কাছে পরবর্তী রাজ্য বিজেপি সভাপতির নাম প্রস্তাব করতে বললে উত্তরে দিলীপ ঘোষ নাকি বালুরঘাটের তরুণ বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার এই পদের জন্য যথেষ্ট যোগ্যতম একজন ব্যক্তি বলে উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও শোনা গিয়েছে যে দিলীপ ঘোষ সুকান্ত মজুমদারের সম্পর্কে বলেছেন যে, তিনি যদি দলীয় সভাপতি নির্বাচিত হন তাহলে দলের কেউ আপত্তি করবে না!কিন্তু সমস্তটাই জল্পনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন,”নাড্ডাজির সাথে বিগত এক মাস কোন কথা হয়নি এবং রাজ্য সভাপতি বদল নিয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি।

আরও পড়ুন-“বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাশে চাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।”- স্পষ্টতই বার্তা দিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র।

আগামী ২০২২ এর ডিসেম্বরে আমার মেয়াদ শেষ হচ্ছে, তাই এই মুহূর্তে রাজ্য সভাপতি নির্বাচনের যে কথাগুলি উঠছে সেগুলি সম্পূর্ণ গুজব ছাড়া আর কিছুই নয়। ‌ অনেক সময় দলের অভ্যন্তর থেকে অথবা বাইরে থেকে এই ধরনের জল্পনার সৃষ্টি করা হয়। আমি সভাপতি হিসেবে কারোর নাম প্রস্তাব করিনি। নির্দিষ্ট সময়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যাকে সভাপতি ঠিক করবে, তিনিই সভাপতি পদে আসীন হবেন।”

Related Articles

Back to top button