‘দিদির ঘুম উড়ে গিয়েছে;ওঁর রাগ আকাশ ছুঁয়েছে’,কটাক্ষ মোদির!

‘দিদির ঘুম উড়ে গিয়েছে;ওঁর রাগ আকাশ ছুঁয়েছে’,কটাক্ষ মোদির!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-অন্যান্য দফার মত চতুর্থ দফার ভোটের দিনকেও বঙ্গ সফরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে এদিন নিজের বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। কোচবিহারের শীতলকুচিতে মৃত্যুর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে অভিযুক্ত করার পাশাপাশি গেরুয়া শিবিরের জয়লাভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। মমতা দিদি ভয় পেয়ে গেছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,”দিদির ঘুম উড়ে গিয়েছে। ওঁর রাগ আকাশ ছুঁয়েছে।

জনতার সামনে কারও অহঙ্কার টেকে না। দিদি এটা বুঝতেই পারছেন না। নিজের দলের পোলিং এজেন্টকেও গালিগালাজ করছেন।ভোটের হার জেনে পুরনো খেলায় মেতেছেন। দিদি হারছেন জেনে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারছেন না। জনতা এবার মমতাকে জবাব দেবে”।শুধুমাত্র তাই নয় শনিবার কৃষ্ণনগরের সভা থেকে পঞ্চম দফার ভোটে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার জন্য বঙ্গবাসীকে আহ্বান করেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন নরেন্দ্র মোদিকে বলতে শোনা যায়,”বাংলায় ২ মে আসল পরিবর্তন হবে। বাংলায় বিজেপি সরকার গড়বে। তোষণ, তোলাবাজি, গুন্ডামি চলবে না। খেলা শেষ হবে। হিংসার খেলা শেষ হবে। ২ মে’‌র পর দিদির বিদায় হবে, ভাইপো নতুন খেলা হবে”। প্রতিটি দফায় ভোটদানের হার অত্যধিক বৃদ্ধির ফলে মোদি দাবি করেন,”আপনি এবার চলে যাবেন। তোলাবাজ চলে যাবে, সিন্ডিকেট চলে যাবে। আপনারা জানেন আমি চা–ওয়ালা। গোটা উত্তরবঙ্গ আমায় অনেক অনেক আশীর্বাদ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন –পঞ্চম দফার নির্বাচনী প্রচারে কাটছাঁট করল কমিশন;৭২ ঘন্টা আগেই বন্ধ করতে হবে প্রচার!

তৃণমূল সরকার যাচ্ছে, বিজেপি সরকার আসছে। প্রথম তিন দফার ভোটে বাংলায় বিজেপির পক্ষে বাম্পার ভোট পড়েছে”।কোচবিহারের শীতলকুচি এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে যুবকদের মৃত্যু প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন,”১০ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও কেন ভোট লুঠ করতে শেখাতে হচ্ছে দিদি? কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করতে শেখাতে হচ্ছে?যে বাহিনী জঙ্গিদের ভয় পায় না সে আপনাকে ভয় করে এটা আশা করেন কী করে”!

বলে রাখি, চতুর্থ দফার ভোটের প্রচারে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী কোনরকম ভাবে অশান্তি সৃষ্টি করলে তাদেরকে ঘেরাও করুন। এমতাবস্থায় গতকাল কোচবিহারের শীতলকুচি এলাকার জোরপাটকিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাথে স্থানীয় বাসিন্দাদের বচসা শুরু হলে তাদেরকে ঘেরাও করা হয়। অতিরিক্ত জমায়েত দেখে কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালাতে বাধ্য হলে ৪ যুবকের মৃত্যু ঘটে।আপাতত এই ঘটনার তদন্ত করে রিপোর্ট তলব করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।