“দিদি ও দিদি..”, বিশেষ ব্যাঙ্গ কায়দায় দিদিকে ডাকলেন বাবুল সুপ্রিয়!

“দিদি ও দিদি..”, বিশেষ ব্যাঙ্গ কায়দায় দিদিকে ডাকলেন বাবুল সুপ্রিয়!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-কটাক্ষ এবার বালুলের । এই রাজ্যের রাজনীতি এখন এই মুহূর্তে চরম উত্তপ্ত । কারণ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই । সামনের একুশের বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে রয়েছে অনেক মানুষ ।কারণ এই ভর্তি করে দেবে যে আগামী দিনে এই বাংলা বাঙালির হাতে থাকবে নাকি বহিরাগতদের হাতে চলে যাবে । কারণ সম্প্রতি রাজ্যে রাজনীতিতে বাঙালি এবং বহিরাগত তত্ত্ব উঠেছে । প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বাঙালি এবং বহিরাগত তত্ত্ব প্রথম এই রাজ্যের মাটিতে শুরু করে বাংলা পক্ষ নামে একটি সংগঠন । তারপর ধীরে ধীরে সেই কথাটি প্রচলিত হয়ে পড়ে জনসাধারণের মুখে । তাবড় তাবড় নেতা মন্ত্রীরা এখন সেই তত্ত্বে বিশ্বাসী ।

ইতিমধ্যেই রাজ্যে ষষ্ঠ দফার ভোট শেষ হয়ে গেছে এবং আমরা যদি একটু ভালো করে লক্ষ্য রাখি তাহলে দেখব এক টান টান উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে গোটা রাজ্য জুড়ে । বেশ কয়েকটি জায়গাতে উত্তেজনার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল । এমনকি কোচবিহারের শীতলকুচি তে আধাসামরিক এর গুলিতে প্রাণ হারায় ৪ জন ভোটার । যদিও এ ব্যাপারে চলছে তদন্ত ।

আরও পড়ুন-“বাকি দুই দফার ভোটে ২০০ আসন টপকে যাবে বিজেপির”- দাবি করলেন দিলীপ ঘোষ।

শীতলকুচি ঘটনা রীতিমতো তোলপাড় করে দিয়েছে গোটা রাজ্যে রাজনীতিকে ।বারবার ভাবতে সাহায্য করেছে সাধারণ মানুষকে যে ভোট কি তাহলে মানুষের প্রাণ নিয়ে খেলা করার একটি উৎসব? নাকি সত্যি সত্যি মানুষের জন্য কাজ করার জন্য একটি সরকার তৈরি করার উৎসব । এ নিয়ে থেকেছে অনেক প্রশ্ন অনেক সংশয় ।

তবে এবারের বিধানসভা ভোটে যে বিষয়টি নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছে সেটি হল বাঙালি এবং বহিরাগত । তৃণমূল কংগ্রেস বলছে যে বিজেপি হল একটি বহিরাগত পার্টি । এবং এই বাংলার নিজস্ব সংগঠন হলো , বাঙালি সংগঠন হলো তৃণমূল কংগ্রেস । বাংলা চালাবে বাঙালি। এমনটা মনোভাব নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা ।কিন্তু ঐদিন আসানসোল থেকে বাবুল সুপ্রিয় তুলে ধরলেন ক্ষোভ মমতা ব্যানার্জির নামে ।

মোদির সুরে সুর মিলিয়ে দিদি ও দিদি কথা বলতে দেখা গেলো বাবুল সুপ্রিয় কে । তিনি বলেন যে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প কেন হচ্ছে না ।যে সমস্ত সবুজ সাথী সাইকেল গুলো আপনি রাজ্যের ছেলেমেয়েদেরকে দিচ্ছেন সেই সাইকেলের তৈরীর কারখানা পশ্চিমবঙ্গের কেন হচ্ছে না ।। কেন গুজরাট থেকে আনা হচ্ছে সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর চেয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়।