“দিদি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজের কর্মীদের উস্কে দিচ্ছেন।”- জনসভা থেকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

“দিদি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজের কর্মীদের উস্কে দিচ্ছেন।”- জনসভা থেকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন: বিজেপি যেকোন মূল্যেই বাংলার নবান্ন সিংহাসন তৃণমূলের হাত থেকে ছিনিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজের কাঁধে দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন বাংলার মাটিতে বিজেপির জয়যাত্রার সূচনা করার। একুশের ভোটে যথেষ্ট পাল্লা ভারী বিজেপির কথা বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন এবারে যথেষ্ট তৎপর বাংলার বুকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর লক্ষ্যে।

কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কড়াকড়ি সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অব্যাহত রয়েছে বাংলা জুড়ে। প্রথম দফার ভোট শান্তিতে মিটলেও, দ্বিতীয় দফার ভোট থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে হিংসা হানাহানির ঘটনা। ঘটেছে রক্তপাত, প্রাণহানির ঘটনা। গত পরশু দিন শনিবার কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছে চারজন তৃণমূল সমর্থকের।

ওই একই বুথে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলির আঘাতে প্রাণ গিয়েছে আনন্দ বর্মন নামক এক তরুণের, এমনটাই অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এদিকে বাংলার মাটিতে আজকের জনসভা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজকে বাংলার বুকে জনসভা করেছেন। বর্ধমানের জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী একহাত নিয়েছেন তৃণমূল তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে। তিনি বলেছেন,

আরও পড়ুন –“মুখ্যমন্ত্রী বাংলার মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন”- জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।

“দিদি এবার নিজের কর্মী-সমর্থকদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে উস্কে দিচ্ছেন। তৃণমূলের পথ এটাই , মা কে অত্যাচার করো, মাটিকে লুন্ঠন করো, মানুষের রক্ত ঝরাও। কোচবিহারে দুদিন আগেই যে যে মানুষের মৃত্যু হয়েছে তাঁরাও কোনো মায়ের‌ই সন্তান ছিলেন। মমতা দিদির নীতি বহু মায়ের কোল থেকে তাঁদের সন্তান ছিনিয়ে নিয়েছে।

দিদির মা মাটি মানুষের এটাই সত্যতা। দিদির গুন্ডারা বৃদ্ধা শোভা মজুমদার কে এত‌ই বর্বরভাবে পিটিয়েছিলো যে আজ‌ও সেই ছবি আমার চোখের সামনে থেকে যায়না। দুদিন আগেই বাংলার মাটিতে নিজের কর্তব্য পালনে এসেছিলেন বিহারের পুলিশ অফিসার , কিন্তু এখানে পিটিয়ে তাকে মেরে দেওয়া হল। তাই এই ভোটেই তৃণমূল পুরোপুরি সাফ হতে চলেছে বাংলার মাটি থেকে।”