“গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র চলছে। সুপার এমার্জেন্সি চলছে।”- আবার পেগাসাস ইস্যুতে কেন্দ্রকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর।

“গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র চলছে। সুপার এমার্জেন্সি চলছে।”- আবার পেগাসাস ইস্যুতে কেন্দ্রকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর।

নিজস্ব প্রতিবেদন: গতকাল একুশে জুলাইয়ের শহীদ দিবস পালন করেছে বিজেপি। ভার্চুয়াল সভা থেকে পেগাসাস ইস্যুতে বিরোধী বিজেপিকে ব্যাপক আক্রমণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল কলকাতার ধর্মতলা থেকে শুরু করে শ্যামবাজার, লেকটাউন ,পার্কস্ট্রিট, টালিগঞ্জ, গিরিশ পার্ক প্রতিটি জায়গায় জায়ান্ট স্ক্রিন লাগিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের সম্প্রচার করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “বিজেপি বাংলার তথা সারা ভারতে স্বৈরাচারী শাসন প্রণয়ন করতে চাইছে।

‌ ত্রিপুরায় আমাদের ভার্চুয়ালি সভা করতে দেওয়া হয়নি। ‌ মানবাধিকার কমিশন বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার ভুয়ো রিপোর্ট তৈরি করেছে। ‌ এই সমস্ত চক্রান্ত আগেই তৈরি করা হয়েছিল।”এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ফোন দেখিয়ে বলেছেন, “আমি যে শরদ পাওয়ার জি অথবা চিদম্বরম জির সাথে কথা বলবো , সেই উপায়‌ও এখন নেই।

আরও পড়ুন-ভোট-পরবর্তী হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিলো হাইকোর্ট।

দিনরাত টাকা খরচ করে আমাদের সকলের ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে। তাই আমি আমার ফোনের এই ক্যামেরা প্লাস্টার করে ফেলেছি।”এই পেগাসাস ইস্যুতে আজ‌ও সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন,”ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারির থেকে এই পেগাসাস কেলেঙ্কারি হল আরো ভয়ঙ্কর। কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের কন্ঠরোধ করার জন্য এই পেগাসাস কিনেছে ইজরায়েলের কাছ থেকে।

আরও পড়ুন-“তৃণমূলকে বাংলা থেকে উচ্ছেদ করতে যা করতে হয় তাই করবো।”- শহীদ মঞ্চ থেকে হুঙ্কার শুভেন্দুর

সুপার এমার্জেন্সির থেকেও ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে বিজেপি। সকলের কন্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এভাবে মানুষ বাঁচতে পারে না। আমার মোবাইলে প্লাস্টার লাগিয়ে কিছু লাভ নেই।

তার আগে ওদের মুখে অবিলম্বে লিউকোপ্লাস্ট লাগানো প্রয়োজন।”