“ধনখড় হল ভয়ঙ্কর”- রাজ্যপাল পদ অবলুপ্ত করার স‌ওয়াল করলেন প্রসূন বন্দোপাধ্যায়

“ধনখড় হল ভয়ঙ্কর”- রাজ্যপাল পদ অবলুপ্ত করার স‌ওয়াল করলেন প্রসূন বন্দোপাধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় কে ভয়ঙ্কর মানুষ বললেন হাওড়ার তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। লোকসভায় তিনি রাজ্যপাল পদের অবলুপ্তি ঘটানো দাবিতে সরব হয়েছেন। প্রথম থেকেই রাজ্যপালের সাথে তৃণমূল সরকারের সম্পর্ক ভালো নয় বলে দেখে এসেছে রাজ্যবাসী। বিশেষ করে ভোটের সময় থেকেই রাজ্যপাল রাজ্যের মধ্যে বিভিন্ন হিংসা হানাহানি ঘটনাকে কেন্দ্র করে বারবার টুইট করে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছেন।

দিল্লি সফরে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল তার পরেই তিনি উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন। তার এই দিল্লি এবং উত্তরবঙ্গ সফরে তৃণমূলের আক্রমণের মুখে পড়েছেন রাজ্যপাল।তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দাদা প্রোপিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত একটি শয্যা দান করেছেন শিবপুর জৈন হাসপাতলে । গতকাল মঙ্গলবার তিনি এই সজ্জা দান করে ঘোষণা করেছেন যে ক্রীড়াব্যক্তিত্ব দের জন্যই এই শয্যাটি সংরক্ষিত রাখা থাকবে।

আরও পড়ুন-“আমরা নিরাপত্তা দিতে পারছি না বলেই কর্মীরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছে ।”- মন্তব্য দিলীপ ঘোষের।

গতকাল শিবপুরে গিয়ে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন পেয়ে তৃণমূল সরকার গঠন করেছে বাংলায়। তারপর থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সাথে কোন বিষয়ে আলোচনা না করেই রাজ্যপাল প্রতিদিন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কিছু না কিছু টুইট করে চলেছেন। রাজ্যপাল পদের অমর্যাদা করে চলেছেন তিনি। তার উচিত মুখ্যমন্ত্রীর সাথে যে কোন কাজ আলোচনার পরই করা।

কিন্তু তিনি এটা করছেন না। বাংলার মানুষকে তিনি অপমান করছেন। তিনি এটা কখনোই করতে পারেন না। গত ২০১৭ সালে লোকসভায় রাজ্যপাল পথ তুলে দেওয়ার একটি প্রস্তাব রাখা হয়েছিল।

আরও পড়ুন-সৌমিত্রের হাত ধরে এবার উত্তরবঙ্গের আরো দুই বিধায়কের মুখেও পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবি।

এই প্রস্তাবকে সিংহভাগ দল সমর্থন করেছিল। অপ্রয়োজনীয় এই পদ মোটা টাকা খরচ করে রাখার কোন মানে হয়না। এমনিতেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল দিনের পর দিন বিজেপি নেতার মতই ব্যবহার করছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সাথে। তিনি নিরপেক্ষভাবে কাজ করছেন না।

তাই এই পদের অবলুপ্তি ঘটানো শ্রেয় বলে আমি মনে করি। আদৌ ওই পদের পশ্চিমবঙ্গে কোন প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা তা প্রশ্নের বিষয়। বিজেপি নেতারা আবার আলাদা রাজ্য গঠন করতে চাইছেন। আমরা কোনো অবস্থাতেই বাংলাকে টুকরো করতে দেবো না। “