হেরে গিয়েও ফের রাজ্যসভার সাংসদ হলেন বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্ত।

হেরে গিয়েও ফের রাজ্যসভার সাংসদ হলেন বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্ত।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে পশ্চিমবঙ্গে জয়জয়কার তৃণমূল কংগ্রেসের। ২১৩ টি আসন নিয়ে আবার তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি প্রথম থেকে প্রবল হবে চেষ্টা করেছিল নবান্নকে নিজেদের দখলে আনার। বিজেপির স্টার প্রচারকরা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা দিনের পর দিন বাংলার মাটিতে ব্যাপকভাবে প্রচার করেছেন, রোড শো করেছেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও বাংলার মানুষের বিশ্বাস অর্জনে অসমর্থ হয়েছেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা।

ভরাডুবি ঘটেছে বিজেপির। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মুখ্যমন্ত্রীর বাংলার মানুষের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রচার সভা থেকে দেওয়া জনমোহিনী প্রতিশ্রুতি গুলি এবারে তৃণমূলকে জয়ের মুখ দেখতে অনেকটাই অনুকূল পরিস্থিতি এনে দিয়েছে। এদিকে বিজেপির প্রার্থী হ‌ওয়ার পরেই তারকেশ্বরের বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্ত কে কটাক্ষ করেছিলেন মহুয়া মৈত্র। তিনি স্বপন দাশগুপ্তের রাজ্যসভার সাংসদ পদ নিয়ে বলেছিলেন, “সংবিধান অনুসারে রাজ্যসভার কোন সাংসদ যদি শপথগ্রহণের ছয় মাসের মধ্যে কোন রাজনৈতিক দলে যোগদান করেন তাহলে তার সাংসদ পদ বাতিল হয়ে যাওয়া উচিৎ।

আরও পড়ুন-“আলাপন বাঙালি , কিন্তু দময়ন্তী সেন কি বহিরাগত ছিলেন?”- মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্নবান সোশ্যাল মিডিয়ায়

‘ এর পরেই রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন স্বপন দাশগুপ্ত। একুশের নির্বাচনে তিনি বিজেপি প্রার্থী হন। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে তিনি হেরে যান। কিন্তু তার এক মাসের মধ্যেই আবার হারানো সম্মান ফিরে পেলেন স্বপন দাশগুপ্ত। কেন্দ্রীয় সরকার স্বপন দাশগুপ্তকে আবার রাজ্যসভার সাংসদ পদে মনোনীত করেছে বলে জানা গিয়েছে। পাঁচ বছর পরে তিনি আবার এই পদ ফিরে পাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের সুপারিশ অনুসারে রাজ্যসভায় ১২ জনকে মনোনীত করেন দেশের রাষ্ট্রপতি। আর এই ১২ জনের মধ্যেই স্থান পেয়েছেন স্বপন বাবু। আবার তিনি হতে চলেছেন রাজ্যসভার সাংসদ।