রিকশা চালকের মেয়ে হওয়া সত্বেও পৌছলেন মিস ইন্ডিয়ার মঞ্চে; এই মেয়ের গল্প হার মানাবে যেকোনো বলিউডের কাহিনীকেও!

রিকশা চালকের মেয়ে হওয়া সত্বেও পৌছলেন মিস ইন্ডিয়ার মঞ্চে; এই মেয়ের গল্প হার মানাবে যেকোনো বলিউডের কাহিনীকেও!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-আমরা সকলেই জানি জীবনে সাফল্যের মুখ দেখতে গেলে অবশ্যই কঠোর পরিশ্রম এবং ধৈর্য থাকতে হবে মানুষের মধ্যে।এই দুটি জিনিস যে মানুষের মধ্যে নেই তিনি কখনই এই পৃথিবীতে টিকে থাকতে পারবেন না। সম্প্রতি এর উদাহরণ দিলেন এক রিকশাচালকের কন্যা। শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনাটি একেবারেই সত্যি।উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা এই কন্যাটির নাম মান্যা সিং।

ব্যক্তিগতভাবে এই মেয়েটির বাবা একজন রিকশাচালক।ছোটবেলা থেকেই দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন সংস্থানের জন্য তার পরিবারকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। যার কারণে ছোটবেলায় বেশি পড়াশোনার সুযোগ পাননি মান্যা। কিশোরী বয়স থেকেই বাবার সাথে হাত মিলিয়ে কাজে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি।এরপর অনেক কষ্টে বাবা-মা কিছু গয়না বিক্রি করে তার পরীক্ষার ফি জমা দেন। কিন্তু তা সত্বেও আর্থিক অনটনের কারণে বেশিদিন পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি মান্যা।

আরও পড়ুন-হঠাৎ নুসরতের শরীরে রোগের হানা, চিন্তায় পড়ে গে’লেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরত জাহান, ভাইরাল ভিডিও!

মান্যা আরো জানিয়েছেন যে তিনি মাত্র 14 বছর বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন। দিনের বেলায় পড়াশোনা করার পাশাপাশি রাত্রে বাসন মাজার কাজ করতে যেতেন তিনি। পরবর্তী জীবনে কল সেন্টারেও কাজ করেছেন।অনেক সময় তিনি এক বেলা না খেয়ে থাকতেন। মাইলের পর মাইল হেঁটে কাজ করতে যেতেন তিনি। সম্প্রতিভিএলসিসি মিস ফেমিনা ফার্স্ট রানারআপ হয়েছেন তিনি। কিন্তু তারপরেও এতোটুকু অহংকার দেখা যায়নি এই কন্যার মধ্যে।

পড়াশোনার ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ না করলেও জীবনে বর্তমানে নিজের প্রচেষ্টার দ্বারা অনেকটাই উচ্চস্থানে চলে গিয়েছেন মান্যা। রানার আপ হওয়ার পর মান্যা সকল মানুষের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে বলেন যে,”আমি আজ ভিএলসিসি ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ২০২০ মঞ্চে পৌঁছতে পেরেছি কারণ আমার বাবা, মা এবং ভাই সমর্থন করেছিল। আমি বিশ্বকে বলতে চাই যে, আপনি যদি নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য প্রতিশ্রুতি বদ্ধ হন তবে তা অবশ্যই পূরণ হবে”।