নিউজঅফবিটভাইরাল & ভিডিও

১৭৩ রকমের দেশলাই বাক্স সংগ্রহ করে বিশ্বরেকর্ড করলো দেগঙ্গার ছাত্র।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বহু মানুষের নেশা রয়েছে পুরানো কয়েন এবং নোট জমানোর । অনেকেই আবার ট্রেনের টিকিট জমান। অনেকের নেশা ডাকটিকিট জমানো। চাবির রিং জমিয়ে থাকেন অনেকে।

বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন বস্তু জমানোর নেশা দেখতে পাওয়া যায় অহরহ। তবে এবার এমন এক তরুণের কথা জানা গিয়েছে সে শুধু জমানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এই বস্তু জমিয়ে করে ফেলেছে সে বিশ্ব রেকর্ড।বাংলার ছাত্র রৌণক ভট্টাচার্য। দেগঙ্গা হাদিপুরের একজন কলেজ ছাত্র সে।

আরও পড়ুন-স্বপ্নের নায়ক সোনু সুদের সাথে দেখা করতে হায়দ্রাবাদ থেকে খালি পায়ে হেঁটে মুম্বাই এল এক কিশোর।

প্রত্যন্ত গ্রামের ছেলে ছোট থেকেই যথেষ্ট ডানপিটে। তবে তার একটি নেশা ছিলো দেশলাই বাক্স জমানো। যখন যেখানে যা দেশলাই বাক্স পেতো, সে জমিয়ে রেখে দিতো। দেশী বিদেশী সংস্থার দেশলাই বাক্স সে সংগ্রহ করতে শুরু করেছিল।

যে কোন জায়গায় বেড়াতে গিয়ে সে আগে দেশলাই বাক্স সংগ্রহ করত। এইভাবে এসে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে ১৭৩ রকমের দেশলাই বাক্স সংগ্রহ করে ফেলেছে। প্রতিটি বাক্স আলাদা সংস্থার। ১৭৩ রকমের দেশলাই বাক্স সংগ্রহ করে সে ইন্টারন্যাশনাল বুক অফ রেকর্ডে নাম তোলার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলো।

আরও পড়ুন-বারণসীতে একাই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে ভ্যাকসিন নিলেন ১২৫ বছরের শিবানন্দ।

এর মধ্যে তার সংগ্রহ করা ১৩০ টি বাক্স নথিভূক্ত করা হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল বুক অব রেকর্ডসে। সারা পৃথিবীর কাছে বাংলার নাম আবার পরিচিত করিয়ে দিলো রৌণক। রৌনকের এই সাফল্যে খুবই খুশি হয়েছেন দেগঙ্গার বাসিন্দারা। রৌনকের মতে, ‘সমস্ত কাজ‌ই চেষ্টার দ্বারা করা সম্ভব।’

তবে রৌণক জানিয়েছে যে, “দেশলাই বাক্স সংগ্রহ করতে গিয়ে বাবা-মায়ের কাছে খুব বকাবকি খেয়েছি। যেখানে বেড়াতে যেতাম আগেই সংগ্রহ করতাম দেশলাই বাক্স। ‌ আমার কাছে বেশি বিদেশী বিভিন্ন সংস্থার ১৭৩ রকমের দেশলাই বাক্স রয়েছে।”

Related Articles

Back to top button