“বাবা ব্যস্ত তার লাভ-লাইফ নিয়ে”- এবার শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হলেন তাঁর ছেলে ঋষিও।

“বাবা ব্যস্ত তার লাভ-লাইফ নিয়ে”- এবার শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হলেন তাঁর ছেলে ঋষিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন: শোভন-বৈশাখী এবং রত্না চট্টোপাধ্যায়ের মধ্যে তীব্র টানাপোড়েন ঘিরে সরগরম সারা রাজ্য। বেহালা পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে তিনি তাঁর স্বামী শোভন চট্টোপাধ্যায় কে কখনোই ডিভোর্স দেবেন না। এদিকে ডিভোর্সের মামলা দায়ের করেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। গত ১৭ ই মে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের তিন হেভিওয়েট নেতা।

সিবিআই গ্রেফতার করার পরেই স্বামী শোভনের পাশে দাঁড়াতে ছুটে গিয়েছিলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়, এছাড়া শোভন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হ‌ওয়ার সময়েও শোভনের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। সকলেই রত্নার স্বামীর প্রতি কর্তব্যবোধের যথেষ্ট প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু মন গলেনি শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। বারবার তিনি দূরে সরিয়ে দিয়েছেন স্ত্রী এবং পুত্র-কন্যাকে ।

আরও পড়ুন-আজ অধীর রঞ্জন চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যালোচনা বৈঠক হতে চলেছে রাজ্যে।

গত বুধবার শোভন বলেছেন তিনি তাঁর সমস্ত স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি বৈশাখীর নামে উইল করে দিয়েছেন। এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় শোভন-বৈশাখীর বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনরা। কিন্তু শোভন বলেছেন,”আমার বেহালার বাড়ি রয়েছে, এছাড়াও সন্তোষপুর গভর্ণমেন্ট কলোনিতে আমার বেশ কিছু জমি রয়েছে যেখানে গোডাউন রয়েছে। সেগুলিকে জবর দখল করে রত্না চট্টোপাধ্যায়, তার বাবা দুলাল দাস এবং পরিবারের অন্যান্যরা সেটা ভোগ করে চলেছে।

আরও পড়ুন-সদ্য মাতৃবিয়োগ হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। আত্মীয়দের দেওয়া ফল হাসপাতাল এবং অনাথ আশ্রমে বিতরণ করছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

তাই আমি বিশ্বাসযোগ্য বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় কে আমার স্থাপর এবং অস্থাবর সম্পত্তির পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি করে দিয়েছি।”নেটিজেনদের তীব্র কটাক্ষ মুখে পড়েছেন শোভন-বৈশাখী। এবার শোভন পুত্র ঋষি সরাসরি আক্রমণ করলেন শোভন চট্টোপাধ্যায় কে। ঋষি চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “আমি প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরেই দেখলাম বাবা-মা আলাদা হয়ে গিয়েছেন।

আমি আমার বাবা মাকে খুব ভালভাবেই চিনি। বর্তমানে বাবা ব্যস্ত রয়েছেন তার লাভ লাইফ নিয়ে। আমাদের দিকে তাকানোর সময় নেই তার। তিনি যে সকল কে বোকা ভাবছেন সেটা ওনার ভুল।”