নিউজ

কাঁদতে কাঁদতে ‘করোনায় মৃত’ স্ত্রীর মৃতদেহ কাঁধে তুলে ৩ কিমি হেঁটে শ্মশানে দেহ নিয়ে গেলেন স্বামী!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-সেই আগের বছর থেকে শুরু হয়েছে মহামারীর এই প্রকোপ এবং এই প্রকল্পের আওতায় এসে গেছে সকল শ্রেণীর মানুষেরা ।দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে শুরু করে পরিকাঠামো স্বাস্থ্যব্যবস্থা শিক্ষার সমস্ত কিছু ভেঙে পড়েছে একের পর এক । কবে সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করবে মানুষ তা আমরা কেউ জানিনা । এই অবস্থায় দেখা দিয়েছে চরম হাহাকার । যদিও সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্য করার চেষ্টা হচ্ছে প্রতিনিয়ত । কিন্তু তবুও কোথাও যেন খামতি থেকে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।।

দেশের এই মুহূর্তে যা অবস্থা তা সত্যিই খুব শোচনীয় । একের পর এক মৃত্যুসংবাদ আসছে আমাদের কানে ।মৃত্যুর মিছিলে ঘিরে ফেলেছে গোটা দেশকে । রীতিমতো নাজেহাল সরকার ।এমতাবস্থায় প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে যথারীতি ভাবে সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসছে তারা । অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে শুরু করে করোনা যে সমস্ত সরঞ্জাম এর দরকার পড়ে সেই সমস্ত সরঞ্জামগুলি দরকার সেগুলি ইতিমধ্যে সরবরাহ করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত বাইরের দেশ থেকে ।কিন্তু তারপরও কোন রকম ভাবে ঠেকানো যাচ্ছেনা ভারতের সংক্রমণকে।

আরও পড়ুন-আজকের ভার্চুয়াল বৈঠকে ভোট গণনার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কর্মীদের চেয়ার না ছাড়ার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

কিন্তু এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকলো গোটা দেশ । মর্মাহত কেন? জানাবো আপনাদের এই প্রতিবেদনে ।স্ত্রীর মৃত্যু ঘটেছে করোনা আক্রান্ত হয়ে । শোকে কাতর তার স্বামী। পরিবারে আর কেউ নেই তাই স্বামীর দায়িত্ব থাকে স্ত্রীকে দাহ করার ।কিন্তু পকেট এ বিন্দু মাত্র কয়েকটি টাকা ।সেই টাকা তে এম্বুলেন্স যেতে রাজি হচ্ছে না ।উপায় কি? চোখের সামনে পড়ে রয়েছে স্ত্রীর মৃতদেহ। কি করবেন তিনি বুঝতে পারছিলেন না ।মাত্র তিন কিলোমিটার পথ তবুও কেউ সামান্য কয়েকটা টাকার জন্য পৌঁছে দিল না শ্মশানে । এমনই মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকলো তেলেঙ্গানা ।

জানা গিয়েছে, মহিলার নাম নাগলক্ষ্মী। তিনি এবং তাঁর স্বামী কামারেড্ডি রেলস্টেশনের কাছে থাকতেন। নুন আনতে পান্তা ফুরোনোর সংসার ছিল তাঁদের। গত কয়েক দিন ধরেই তাঁর স্ত্রী খুব অসুস্থ ছিলেন। করোনার চিকিৎসা করানোর তাঁর সামর্থের বাইরে ছিল।তাই স্ত্রীর কাপড়ে তাকে জড়িয়ে কাঁধে করে তিন কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে শ্মশানে উদ্দেশ্যে রওনা দেয় তার স্বামী । তারপর সেখানে দাহ করানো হয়ন। এই ধরনের ঘটনা সামনে আশাতে ভরাক্রান্ত হয়েছেন অনেকেই । খবরটি ছড়িয়ে পড়েছে দ্রুত । ।

Related Articles

Back to top button