গরিবের ত্রাণ বিলিতে দুর্নীতি, নন্দীগ্রামে শাসকদলের 25 জন নেতাকে শোকজ করলো তৃনমুল

শৌভিক বাগ:মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে রাজ্যের বুকে হাজির হয়েছিলো আমফান। ঝড়ের তান্ডব ওড়িশা সহ বাংলার দক্ষিণবঙ্গের বুকে প্রবল ক্ষ’তচি’হ্ন এঁকে দিয়েছিলো। এখনও সেই ক্ষ’তচি’হ্ন বাংলার বুকে বিদ্যমান। বহু মানুষ এই ঝড়ের তান্ডবে ঘরছাড়া হয়েছেন। অনেকের প্রাণ‌ও গিয়েছে। এই অসহায় , গৃহহীন বা যাদের বাড়ি খুবই ক্ষ’তিগ্র’স্ত হয়েছে তাদের সাহায্যার্থে প্রতিটি ক্ষ’তি’গ্র’স্ত দের। অ্যাকাউন্টে ২০০০০ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন- রেল নিলো বড় সিদ্ধান্ত- বড় ভো’গান্তির শি’কা’র হতে পারে হাওড়া-শিয়ালদা শাখার ট্রেন যাত্রীরা!

কিন্তু এই ক্ষতিপূরণের টাকা বিলি শুরু হতেই দেখা দেয় দূর্নীতির কালো মেঘ। বহু জায়গা থেকে অভিযোগ আসতে শুরু করে যে দলীয় কর্মীরা দূর্নীতির মাধ্যমে তাদের এবং তাদের মনোনীত লোককেই এই টাকা পাইয়ে দিচ্ছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই ব্যবস্থা নেয় রাজ্য নেতৃত্ব। বেশ কয়েকজন দলীয় কর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। এক পঞ্চায়েত প্রধানকেও বহিষ্কার করে দল।

আরও পড়ুন- Breaking- ফের কঠোর লকডাউনের পথে রাজ্যের এই জেলা, নবান্নে গেলো প্রস্তাব।

এই প্রসঙ্গে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে বিঁধলেন বাংলার বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি সংবাদমাধ্যম কে বলেছেন যে, “মুখ্যমন্ত্রীর এগুলো আইওয়াশ ছাড়া আর কিছুই না। সবকিছুই রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। আগে তৃণমূল ছিলো চাল-চোর, এখন টাকা চোর‌ও হয়েছে।”দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের নিরিখে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব।

এবার জানা গিয়েছে দূর্নীতির অভিযোগে নন্দীগ্রামের ২৫ জন তৃণমূল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে শীর্ষ নেতৃত্ব। ২০০ জন নেতাকে শোকজ করা হয়েছিলো ত্রাণ নিয়ে দূর্নীতির অভিযোগে। তার মধ্যে জবাবের ভিত্তি অনুযায়ী ২৫ জন দলীয় নেতাকর্মীদের বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। তৃণমূল জানিয়েছে যে ইতিমধ্যেই ৮০ জন নেতা টাকা ফেরত দিয়েছেন এবং আরো ৫০ জন নেতা টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে অনেকেই আঙুল তুলছেন যে এই দূর্নীতি আগেই পরিষ্কার ভাবে সকলের সামনে এসেছে, কিন্তু দেরিতে ব্যবস্থা নেওয়া হল।

এখানে আপনার মতামত জানান