নিউজ

“করোনার সুপার স্প্রেডার হলেন প্রধানমন্ত্রীই”- দাবি করলেন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এর সহ সভাপতির

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে বাংলার মাটিতে বারবার ছুটে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী সহ বিজেপির তাবড় তাবড় নেতা মন্ত্রীরা। কোভিড যখন দ্বিতীয়বার ছড়াতে শুরু করেছে তখন রাজনৈতিক প্রচারে নিয়ন্ত্রণ আইনে একের পর এক জনসভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ওই জনসভা গুলিতে কাতারে কাতারে ভিড় করেছে মানুষজন, ওই ভিড়ের মধ্যে কখনোই সম্ভব হয়না দূরত্ব বৃদ্ধি বজায় রাখার।

তাই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে ভোটের এই আবহে নির্বাচন স্থগিত করে দেওয়া অবশ্যই উচিত ছিল বৃহত্তর জনস্বার্থে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বের উপর প্রশ্ন চিহ্ন তুলে দিয়েছেন অনেকেই। বিজেপির স্টার প্রচারক হিসেবে বারবার বাংলার মাটিতে ছুটে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী ইতিহাসে এই প্রথম বার। কিন্তু করোনার এই অতিমারীতে ভারতকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য একজন বিচক্ষণ এবং দায়িত্ববান প্রশাসকের প্রয়োজন ছিল ভারতবাসীর কাছে।

আরও পড়ুন-“করোনা রোগীদের কি মরার জন্য ফেলে রাখা হচ্ছে?”- কেন্দ্রীয় সরকারকে ভর্ৎসনা করলো দিল্লি হাইকোর্ট।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এই প্রশাসকের ভূমিকাটা কি সত্যিই পালন করতে পেরেছেন? এই নিয়ে বিস্তর প্রশ্নচিহ্ন উঠতে শুরু করেছে। এবার করোনার এই ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি ডা. নবভ্যোৎ দাহিয়া বলেছেন যে, “সারাদেশ যখন করোনার ধাক্কায় নাজেহাল, স্বাস্থ্যকর্মীরা যখন যুদ্ধরত তখন একের পর এক বৃহৎ রাজনৈতিক জনসমাবেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। যার ফলে কাতারে কাতারে ওই জনসভার ভীড়ে ছড়িয়ে গিয়েছে এই মহামারী।

করোনার এই বাড়বাড়ন্ত নিয়ে যখন সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে চাইছিলেন চিকিৎসকরা, তখন কোনরকম প্রোটোকল না মেনেই একের পর এক জনসভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যখন প্রথমবার করোনা দেখা দিয়েছিল দেশে, তখন‌ও কেন্দ্রীয় সরকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির কোন প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করেননি। অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরির পরিকল্পনা কেন্দ্রের অনুমতির সুতোয় আটকে গিয়েছে। এখানে করোনার সুপার স্প্রেডার হলেন প্রধানমন্ত্রীই।”

Related Articles

Back to top button