“সম্পূর্ণ দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেছেন।”- সৌমিত্র খাঁ কে কটাক্ষ করলেন কুণাল ঘোষ।

“সম্পূর্ণ দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেছেন।”- সৌমিত্র খাঁ কে কটাক্ষ করলেন কুণাল ঘোষ।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সম্প্রতি আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বারলার উত্তর বঙ্গ বিভাজন এর মন্তব্য কে ঘিরে যথেষ্ট উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। জন বারলা বলেছেন যে রাজ্য সরকার উত্তরবঙ্গ কে বঞ্চনা দিয়ে আসছে। তাই উত্তরবঙ্গ কে আলাদা রাজ্য রূপে গড়ে তুললে উত্তরবঙ্গের মানুষ সুখ-সমৃদ্ধির দেখা পাবেন। এই আবহে যথেষ্ট চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে বাংলা রাজ্য রাজনীতিতে।

‌ বিজেপির নেতারা জন বারলার এই দাবী সমর্থন না করলেও তাঁরা সকলেই একমত যে তৃণমূল সরকার উত্তরবঙ্গের মানুষের সাথে কেবলমাত্র বঞ্চনাই করে এসেছে।জন বারলার এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে দিনহাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে তৃণমূল। জনের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে বিজেপিও। এই আবহে ঠিক এরকমই একটি মন্তব্য করে বিজেপির অস্বস্তির আগুনে ঘি ঢেলেছেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

আরও পড়ুন-আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া চিঠি দিলো কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীবর্গ ও প্রশিক্ষণ বিভাগ।

জন বারলার মতো তিনিও এবার রাঢ়বঙ্গকে ভেঙে আলাদা রাজ্যের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন। তিনি বলেছেন,”আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে রয়েছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ কে ভেঙে আরেকটি বাংলাদেশ তৈরি করার প্রচেষ্টায় রয়েছেন। আমরাও এবার রাঢ়বঙ্গকে ভেঙে আলাদা একটা রাজ্য গঠনের দাবী উত্থাপন করবো।

বাঁকুড়া, জঙ্গলমহল, পুরুলিয়া নিয়ে আলাদা রাঢ়বঙ্গ গঠিত হবে। মুখ্যমন্ত্রী দিল্লি নেতাদের বারবার বহিরাগত বলেছেন। তেমনি উত্তরবঙ্গ আর রাঢ়বঙ্গের মানুষজন মুখ্যমন্ত্রীকে বহিরাগত বলতেই পারে। তিনি রাঢ়বঙ্গের জন্যেও কিছু করেননি এবং উত্তরবঙ্গের জন্য‌ও কিছু করেননি।”

আরও পড়ুন-“বিজেপির সংকীর্ণ রাজনীতি বাংলায় বিপর্যয় ডেকে আনবে।”- উত্তরবঙ্গ বিভাজনের মন্তব্যের বিরুদ্ধে সরব অধীর চৌধুরী।

বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ’র এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেছেন,”বিজেপি বঙ্গভঙ্গের প্ররোচনা দিচ্ছে। এখনো পর্যন্ত বাংলার মানুষের মতামত বিজেপি মেনে নিতে পারছে না তাই বাংলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে বাংলা ভাব করতে মদত দিচ্ছে বিজেপি। বিজেপির কিছু নেতা হেরে যাওয়ার পর অবসাদে ভুগছেন।

বাংলায় রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে বিজেপি নেতারা।”