নিউজটেক নিউজরাজ্য

“কসবায় ভুয়ো ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পে দেওয়াই হয়নি করোনার ভ্যাকসিন”- দাবি পুরসভার ডেপুটি সিএম‌ওএইচের

নিজস্ব প্রতিবেদন: গত মঙ্গলবার মিমি চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে যাদবপুর কেন্দ্রের কসবায় তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের দেওয়া হয়েছিলো করোনার ভ্যাকসিন, সেখানেই মিমিও করোনার প্রথম ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন। কিন্তু দেখা যায় এটা একটা ভুয়ো ক্যাম্প। এই ভুয়ো ক্যাম্প চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে দেবাঞ্জন দেব নামক এক যুবককে।রীতিমতো একজন উচ্চপদস্থ সরকারি অফিসারের মতোই চলাফেরা ছিলো তাঁর।

তার কাছে বেশ কয়েকজন কাজ করতো যাদের সে ২০ থেকে প্রায় ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন দিতো। এই বিপুল টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে দেবাঞ্জনকে জেরা করছে পুলিশ। ২৮ বছর বয়সী , জেনেটিক্সে এম‌এসসি মেধাবী এই যুবক কেন হঠাৎ এই রাস্তা বেছে নিলো তা অবাক করে দিয়েছে তদন্তকারী অফিসারদের।এদিকে জানা গিয়েছে কসবার ওই ক্যাম্পে মিমিকে দেওয়া হয়েছিলো পেটের সমস্যার ওষুধ ‘অ্যামিকাসিন’ যার দরুণ ওই ওষুধ ভ্যাকসিনের পরিবর্তে নেওয়ার পর পেটের ব্যাথা শুরু হয়েছে মিমির।

আরও পড়ুন-ভুয়ো ভ্যাকসিন ক্যাম্প চালানো দেবাঞ্জনের সাথে একাধিক তৃণমূল নেতা মন্ত্রীর যোগাযোগ। ছবি প্রকাশ করে দাবী বিজেপির

আজ তিনি লিভার পরীক্ষা করাবেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে ওই অভিযুক্ত দেবাঞ্জনের বাড়ি থেকে পাওয়া গিয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে অ্যামিকাসিন। অর্থাৎ পুলিশ অনুমান করছে ওই শিবিরে সকলকেই এই অ্যামিকাসিন দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।পুরসভার ডেপুটি সিএম‌ওএইচ বলেছেন, “যে ভ্যাকসিন ক্যাম্পটিতে দেওয়া হয়েছিলো, তার গায়ে কোনো ব্যাচ নাম্বার বা এক্সপায়ারি ডেট লেখা ছিলো না।

আরও পড়ুন-“মুকুল রায় বিজেপি পার্টির‌ই সদস্য”- পিএসি প্রসঙ্গে বললেন মুখ্যমন্ত্রী।

শুধু একটা গ্রিন লেভেলে লেখা ছিলো কোভিশিল্ড। এটা রিকম্বিনেট ভ্যাকসিন। হাম অথবা বিসিজি ভ্যাকসিন‌ও দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। আমাদের যে ভায়াল রয়েছে, তার থেকে এই ভায়ালের সাইজ অনেকটাই ছোটো।”

Related Articles

Back to top button