নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“চরিত্রহীন কলঙ্কিত নায়ক-নায়িকা”- শোভন-বৈশাখীকে তীব্র আক্রমণ রত্না চট্টোপাধ্যায়ের

নিজস্ব প্রতিবেদন: বর্তমানে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিকাঠামো দুই অন্যতম সমালোচিত চরিত্র হলো শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। শোভন চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে তার স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় এর সাথে সমস্ত রকম সম্পর্ক ছিন্ন করে রয়েছেন বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে। নারদা কান্ডে শোভন গ্রেফতার হ‌ওয়ার পরেই রত্না চট্টোপাধ্যায় দাম্পত্যে সমস্ত ওঠাপড়া কে একপাশে সরিয়ে রেখে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন শোভনের। কিন্তু সেই রত্না চট্টোপাধ্যায় এর উপরেই এবার কালিমা লেপন করতে চাইছেন শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করে তার ক্যাপশন দিয়েছেন যে , ‘রত্নার প্রেমিক।’ ওই ছবিতে দেখা গিয়েছে রত্না চট্টোপাধ্যায়ের সাথে এক ব্যক্তি দোলনায় বসে রয়েছেন। এই ছবিগুলিতে আরো অন্যান্য কয়েকজনের উপস্থিতি রয়েছে। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় দাবী করেছেন যে, শোভনের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তাঁর বাড়িতে পরকীয়ায় মত্ত হয়ে উঠেছেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। এমনকি শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “আমি যখন ওই বাড়িতে থাকতাম, তখন বাইরের কেউ পা দেওয়ার সাহস করতো না।

আরও পড়ুন-“মুখ্যমন্ত্রীর ব্যবহারে অত্যন্ত আপ্লুত হয়েছি।”- পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সাথে সাক্ষাৎ করার পর মন্তব্য করলেন শোভন-বৈশাখী

আর এখন আমার বাড়িতে কারা ঢুকছে ? ওরা কারা ? আমার বেহালার বাড়ির পবিত্রতা এবার নষ্ট করছে রত্না। আমি চারবছর আগেই ওকে ডিভোর্স দেওয়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।”এই পরিপেক্ষিতে এবার সরব হয়েছেন বেহালা পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, “শোভন চট্টোপাধ্যায় হলেন একজন মিথ্যেবাদী নোংরা মানসিকতার মানুষ।

আরও পড়ুন-পূর্ব মেদিনীপুর থেকে জেলা সফর শুরু করতে চলেছেন যুব তৃণমূল সভানেত্রী সায়নী ঘোষ।

আমার মানবিক মূল্যবোধ ছিল বলেই শোভন চট্টোপাধ্যায়কে সিবিআই গ্রেপ্তার করার পর আমি নিজাম প্যালেসে ছুটে গিয়েছিলাম। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় মনে হয় এমন কিছু খাওয়াচ্ছে যাতে উনি পাগল হয়ে যাচ্ছেন। তুই চরিত্রহীন মানুষ আমার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। আমি যদি পরপুরুষকে বাড়িতে ঢোকাতাম আমি যদি নোংরা চরিত্রের হতাম তাহলে বেহালার মানুষ আমাকে ভোটে জেতাতেন না।

আরও পড়ুন-পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির মাদারিহাটের বিজেপি বিধায়ক । উঠলো জল্পনা।

যে ছবিটি উনারা দেখাচ্ছেন তাতে আমাদের দলের ছেলেমেয়েরা উপস্থিত ছিল। শোভন চট্টোপাধ্যায় তাদের সকলকে চেনেন। এখন আমার চরিত্রে কাদা লেপন করার জন্য উনারা এই নাটক করছেন। দুই কলঙ্কিত চরিত্রহীন নায়ক-নায়িকা আমার চরিত্র নিয়ে আঙুল তুলছে।

শোভন বাবু যদি মনে করে থাকেন যে আমি উনাকে ডিভোর্স দেব তাহলে আমি বলছি এই স্বপ্ন উনার জীবনে স্বপ্ন হয়েই থেকে যাবে।”

Related Articles

Back to top button