ফের অভিযোগের কাঠগড়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনী; তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর, ভোটারদের মারধর! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।

ফের অভিযোগের কাঠগড়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনী; তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর, ভোটারদের মারধর! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।

নিজস্ব প্রতিবেদন:-নির্বাচন শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকেই রাজনৈতিক দল বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগের নিশানায় চলে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।প্রথম থেকেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করে এসেছেন ভোটারদের প্রভাবিত করে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক বাড়ানোর চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।আর এই প্রেক্ষাপটে সব থেকে বড় হাত রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

বিশেষত গতকাল কোচবিহারের শীতলকুচি কাণ্ডের পর থেকে একেবারেই সম্পূর্ণরূপে অভিযুক্ত হয়ে পড়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।এমতাবস্থায় আবারও গতকাল দফায় দফায় বিভিন্ন জায়গা থেকে ভিডিও পোস্ট করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর ভোটারদের অত্যাচার করার কথা জানালো তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও এখনো পর্যন্ত এই ঘটনায় ভিডিওর কোনো সত্যতা যাচাই করা হয়নি, বলেই জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত গতকাল চতুর্থ দফার নির্বাচনে ৪৪ টি স্পর্শকাতর এবং গুরুত্বপূর্ণ আসনে ভোটগ্রহণ ছিল।

এমতাবস্থায় তৃণমূলের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে বেশ কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। এরমধ্যে একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে,একদল লোক একটি ক্যাম্প অফিসের মত একটি জায়গা ভাংঙুর চালাচ্ছে। সেই লোকদের গায়ে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পোশাক। দাবি করা হয় এটি বজবজের মায়াপুর এলাকার ঘটনা,যেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের ক্যাম্পে ভাঙচুর চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।এরপর আবার একটি অন্য ভিডিওতে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পোশাক পড়ে এক ব্যক্তি স্থানীয় এক যুবককে মারধর করছে।

আরও পড়ুন-মদন মিত্রের বাড়িতে গিয়ে বাড়ির ছাদে উঠলেন কৃষ্ণকলির শ্যামা, করলেন একসাথে নাচ, ভাইরাল ভিডিও!

তৃণমূলের টুইটার অ্যাকাউন্ট এর তরফ থেকে ভিডিওগুলো পোস্ট করে সম্পূর্ণরূপে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এমনকি কোচবিহারের শীতলকুচি এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের গুলিতে যুবকদের মৃত্যুর ঘটনায় সোজাসুজি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করে এদিন মমতা বলেন,”আমি সেন্ট্রাল ফোর্সকে খারাপ বলছি না। কিন্তু তাদের পরিচালনা করছেন অমিত শাহ।

দেশের হোম মিনিস্টার দেশের কাজ করেন না। বাংলায় বসে চক্রান্ত করছে,মেয়েদের উপরে অত্যাচার করছে নয়তো এলাকায় গিয়ে গুলি চালিয়ে দিচ্ছে। নানান রকম অত্যাচার করতে করতেই সাহস বেড়ে গিয়েছে। ভোটের লাইনে চারজনকে গুলি চালিয়ে মেরে দিয়েছে। আজকে বলছে ,পুলিশ মেরেছে, না মেরে কোনো উপায় ছিল না। এমনকি দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত বলছেন, গুলি চালিয়ে ঠিক করেছে”।