আত্মরক্ষার তাগিদে গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।”- ছবি প্রকাশ করে দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী

আত্মরক্ষার তাগিদে গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।”- ছবি প্রকাশ করে দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে হিংসা হানাহানি অব্যাহত রাজ্যের দিকে দিকে। প্রথম দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে মিটলেও, দ্বিতীয় দফা থেকে নন্দীগ্রামে এবং রাজ্যের আরো বিভিন্ন প্রান্তে যথেষ্ট হিংসা-হানাহানি ঘটনা দেখা যাচ্ছে। ‌ সবথেকে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের শীতলকুচি তে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের আক্রমণ করার চেষ্টা করায় জ‌ওয়ানদের গুলিতে প্রাণ গিয়েছে ৪ জন তৃণমূল সমর্থক এর।

আবার ওই বুথেই ভোট চলাকালীন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে বোমা এবং গুলি ছোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে । তাদের গুলির আঘাতে মারা গিয়েছেন আনন্দ বর্মন নামক এক ভোটার। আরামবাগ থেকে শুরু করে খানাকুল এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হিংসা হানাহানির ঘটনা ঘটেছে। ভোটের এই আবহে তীব্র হয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক তরজা।

আরও পড়ুন-“ভালোই ব্যবসা ফেঁদে বসেছ, সবকটার ডানা কাটবো।”- তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলেন মিঠুন।

এদিকে শুভেন্দু অধিকারী টুইটারে একটি ছবি পোস্ট করে দাবি করেছেন যে শীতলকুচির ওই ঘটনায় আত্মরক্ষার তাগিদেই গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তিনি জখম এক সিআই‌এস‌এফ জ‌ওয়ানের ছবি পোস্ট করে টুইটারে লিখেছেন, “চতুর্থ দফার ভোটের দিন কোচবিহারের শীতলকুচিতে সিআইএসএফ জওয়ানদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তাদের বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় , গুরুতর জখম হয় এক জ‌ওয়ান।

তখনই আত্মরক্ষার্থে গুলি চালাতে বাধ্য হয় জওয়ানরা।”কোচবিহারের এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট দিয়েছে যে আত্মরক্ষার্থে গুলি চালিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সেই সাথে নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে আগামী ৭২ ঘন্টা শীতলকুচি তে প্রবেশ করতে পারবে না কোন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা নেত্রীরা।