খোলা বাজারে বিক্রি করা যাবে না ব্ল্যাক ছত্রাকের ইনজেকশন।

খোলা বাজারে বিক্রি করা যাবে না ব্ল্যাক ছত্রাকের ইনজেকশন।

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্যের বুকে বৃদ্ধি পাচ্ছে মিউকর মাইকোসিসে আক্রান্তের সংখ্যা। আজ পর্যন্ত রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ জন। আরো ৫৯ জন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় ‘অ্যাম্ফোটেরিসিন বি’ ওষুধ। এই ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবী করা হয়েছে বলে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।

এদিকে অ্যাম্ফোটেরিসিন বি রাজ্যের ওষুধের স্টকিস্টদের কাছে যথেষ্ট পরিমাণে মজুত নেই বলে জানা গিয়েছে ‌ । স্টকিস্টরা বলছেন যে এই মুহূর্তে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। শহরের বেশ কয়েকটি হাসপাতাল থেকে শুরু করে নার্সিংহোম থেকে ফোন আসছে এই অ্যাম্ফোটেরিসিন বি ওষুধটির জন্য ‌ । কিন্তু চাহিদার তুলনায় জোগান নেই যথেষ্ট। এদিকে রাজ্য সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যে, খোলা বাজারে আর বিক্রি করা যাবে না করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যাম্ফোটেরিসিন বি এর ইনজেকশন।

আরও পড়ুন-করোনা আবহে বাতিল হতে পারে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা।

এই ইনজেকশনের কৃত্রিম অভাব রোখার জন্যই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।অ্যাম্ফোটেরিসিন বি এর ইনজেকশনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন দাম নেওয়া হচ্ছে। খোলা বাজারে এই ইনজেকশনের একটি ভাওয়ালের দাম নেওয়া হচ্ছে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত। আবার অনেক সময় দেখা যাচ্ছে এর থেকে আরও বেশি দাম নিচ্ছে বেশ কয়েকজন অসৎ স্টকিস্টরা। তাই অ্যাম্ফোটেরিসিন বি ইনজেকশনের কালোবাজারি রুখতে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন-সমগ্র ভারতে ৬২৪ জন চিকিৎসক প্রাণ হারিয়েছেন করোনার ভয়াবহ আবহে।

এই মর্মে সমস্ত বেসরকারি হাসপাতাল , নার্সিংহোমে নির্দেশিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে “ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত কোন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলে তার পরিজন একমাত্র প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমেই অ্যাম্ফোটেরিসিন বি’র ইনজেকশন দোকান থেকে কিনতে পারবেন। এছাড়াও স্টকিস্টের কাছে রোগীর সমস্ত তথ্য এবং প্রেসক্রিপশন পাঠাতে হবে।”