নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“মদের দোকান খুললে সরকারের লাভ, আর স্কুল-কলেজ খুললে সরকারের খরচ”- কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্যে ভয়াবহ সন্ত্রাস চালাচ্ছে করোনা ভাইরাস। ইতিমধ্যেই রাজ্যে জারি হয়েছে বিধিনিষেধ। গতকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই বিধিনিষেধ বাড়িয়ে আগামী ১ লা জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে ছাড় দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু ক্ষেত্রে।

তবে বিধিনিষেধ অপরিবর্তিত থাকছে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি তে-বন্ধ থাকবে লোকাল ট্রেন, মেট্রোরেল, বিভিন্ন জলযান এবং বাস পরিষেবা ।বন্ধ থাকবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি।বন্ধ থাকছে জিম, বিউটি পার্লার। রাত ৯ টা থেকে সকাল ৫ টা পর্যন্ত অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা ছাড়া সমস্ত কিছু যান চলাচল, দোকান বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন-বেআইনি অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ আরমান ভোলা। অস্বস্তি বাড়লো শুভেন্দুর

এছাড়াও যেকোনো বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান অথবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কোনরকম ভিড় করা যাবে না। বিবাহ অনুষ্ঠান বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে একসাথে সর্বোচ্চ ৫০ জন অতিথির আগমন হতে পারে। করোনার প্রথম ঢেউয়ের পর্যায়কাল থেকেই রাজ্যে বন্ধ হয়ে রয়েছে স্কুল – কলেজ। এর মাঝে আনলক পর্বে অল্প সংখ্যক ছাত্রছাত্রী নিয়ে স্কুল খোলা হলেও খোলেনি কলেজ।

করোনার এই ভয়াবহ আবহে বাতিল‌ করা হয়েছে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা‌। পড়ুয়াদের মূল্যায়ন কিভাবে হবে সেই সম্পর্কে চিন্তাভাবনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের উপর আক্রমণ শানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন,”রাজ্যে যদি স্কুল কলেজ খোলা থাকে তাহলে সরকারের প্রচুর টাকা খরচ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন-“বেশী সময় নেই। কবে জয়েন করাবে তোমরা?” – বাবুল সুপ্রিয় প্রকাশ করলেন মুকুলের বিজেপিতে যোগদানের পূর্বেকার ইঙ্গিত।

কিন্তু মদের দোকান যদি খোলা থাকে তাহলে সরকার লাভের কড়ি গুনবে। স্কুল-কলেজে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে করোনা ছড়িয়ে পড়ার ভয় রয়েছে। কিন্তু মদের দোকানে বহুদূর পর্যন্ত লাইন দিয়ে কারো করোনা ছড়িয়ে পড়বে না। বার গুলো খোলা থাকলে পার্টির নেতারা সেখানে পৌঁছে মজা করার সুযোগ পাবেন।

তাই স্কুল‌ বন্ধ থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে বার খোলার অনুমতি পাওয়া গিয়েছে।”

Related Articles

Back to top button