নিউজপলিটিক্সরাজ্য

আবার দলে ভাঙনের আশঙ্কায় বিজেপি। মুকুল রায় বিজেপি ছাড়ার দিনেই বনগাঁয় দিলীপের বৈঠকে এলেন না তিন বিধায়ক।

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্য বিজেপিতে ধরছে ভাঙন। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা নেতারা আবার বেসুরো হয়ে ঝুঁকছেন বিজেপির দিকে। ইতিমধ্যে বিজেপির দলবদলু নেতা সোনালী গুহ, দীপেন্দু বিশ্বাস তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তৃণমূলের প্রাক্তন সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগদান করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে এসেছিলেন।

ডোমজুড় থেকেই বিজেপির হয়ে লড়াই করে বিপুল ভোটে হেরেছেন তিনি। কয়েকদিন আগেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কটাক্ষ করার বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। তারপর থেকেই তাঁর তৃণমূলে ফেরার জল্পনা জোরদার হয়। পদ্মফুল শিবিরের সাথে বিগত চার বছরের সম্পর্কের ইতি টেনে তৃণমূলে ফিরেছেন মুকুল রায়।

আরও পড়ুন-“কাজ করতে চাইলেও একসঙ্গে অনেক নেতাকে বসিয়ে রাখা হয়।”- মুকুল রায় দলত্যাগ করতেই বিদ্রোহ বিজেপির অন্দরে।

এছাড়াও মুকুল রায়ের গতকাল তৃণমূলে যোগদানের দিনেই বনগাঁর বিজেপি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি পদত্যাগ করেছেন। অনুমান করা হচ্ছে তিনি তৃণমূলে যোগদান করতে পারেন। এদিকে তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের পর মুকুল রায়কে নিরাপত্তা দিয়েছে রাজ্য পুলিশ। ‌এদিকে বনগাঁ বিজেপিতেও দেখা দিতে পারে ভাঙন, এমনটাই অনুমান করছে বিজেপি নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন-“রাজীব আমার ছোটো ভাইয়ের মতো। দেরী হয়েছে কিন্তু তবুও ওর বোধোদয় হয়েছে।

গতকাল বনগাঁয় দিলীপ ঘোষের ডাকা বৈঠকে হাজির হলেন না তিনজন বিজেপি বিধায়ক। সাংসদ শান্তনু ঠাকুর‌ও অনুপস্থিত ছিলেন। কিন্তু কেন তাঁরা বৈঠকে যাননি সেই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেননি বিধায়করা এবং সাংসদ। এর ফলে বিজেপি শিবিরে বৃদ্ধি পেয়েছে উদ্বেগ।

Related Articles

Back to top button