নিউজপলিটিক্সরাজ্য

সাঁইবাড়ি পোস্ট নিয়ে কোনোরকমের বিতর্ক চাইছেন না বিমান বসু, অধীর চৌধুরীরা।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাম আমলে ঘটে যাওয়া সাঁইবাড়ি হত্যাকান্ড নাড়িয়ে দিয়েছিলো সারা দেশকে। আজ সেই হত্যাকান্ডের পর বহু বছর কেটে গেলেও রাজনৈতিক পটভূমিতে মাঝে মধ্যেই উঠে আসে এই সাঁইবাড়ি হত্যাকান্ডের উল্লেখ। রবিবার দিন সিপিএম সাংসদ বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য তার ফেসবুক পেজে বর্ধমানের সাঁইবাড়ি হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে লিখে বেশ কয়েকটি জায়গায় ‘কংগ্রেস গুন্ডা’ এই শব্দটির উল্লেখ করেন । ঠিক একই বিষয়ে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের পোস্টেও সাঁইবাড়ির বড়ো ছেলে কংগ্রেস নেতা নিহত নব সাঁই কে ‘ঘাতক’ এবং ‘গুন্ডা’ বলা হয়।

এই আবহে সরব হয়েছেন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু । সরব হয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী‌ও। অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছেন, “বিকাশ রঞ্জন বাবু একজন দক্ষ আইনজীবী বলে আমি জানি। তিনি মাঝেমধ্যে ব্যক্তিগত আক্রমণ করতে গিয়ে কিছু বাহাদুরি প্রদর্শন করে থাকেন।

আরও পড়ুন-প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সাথে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চুক্তি হল তৃণমূলের।

তিনি যা পোস্ট করেছেন সেটা সিপিএমের সামগ্রিক বক্তব্য বলে আমি ধরছি না। একটা বহু পুরানো ঘটনা নিয়ে এই বিতর্কে কোন বাহাদুরি দেখা যেতে পারে বলেও আমি মনে করছি না।”মীনাক্ষী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেসবুক পোস্ট প্রসঙ্গে বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেছেন, “মীনাক্ষীর সঙ্গে আমি কথা বলেছি। শুনলাম কেউ নাকি ওর হয়ে হঠাৎ করে পোস্ট করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন-আজ দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যপাল। রাজ্যের ভোট পরবর্তী সংঘর্ষ নিয়ে বেশ কয়েকটি বৈঠক করতে চলেছেন তিনি।

মীনাক্ষী যে কথাগুলো বলেছে সেগুলো সঠিক নয়। বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের সাথে কথা হয়েছে , তাঁর ফেসবুক পোস্টের কথাগুলি দলের সামগ্রিক মতামত বলে ধরলে হবে না।”এদিকে এই ফেসবুক পোস্ট এর পরিপ্রেক্ষিতে বিকাশ রঞ্জন বাবু বলেছেন যে, “সাঁইবাড়ি হত্যাকাণ্ডের সময়ের কংগ্রেস এবং বর্তমান কংগ্রেসের মধ্যে কোন রকম সম্পর্ক নেই। অতীতের সময়ের সমস্ত ঘটনা সম্পর্কে জেনেও আমি কংগ্রেস এবং সিপিএম এর জোট বিষয়ে তৎপরতা দেখিয়েছিলাম।

আরও পড়ুন-ভিন রাজ্যে বজ্রাঘাতে মৃত বাঙালি পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজনৈতিক আবহে সবসময় ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে জোট করা উচিত।”তবে এই পোস্টের পর বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের উপরে যথেষ্ট আক্রমণ শানিয়েছেন কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। সকলেই বিকাশের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বলেছেন যে, “যদি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আপনার এত ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে তাহলে কংগ্রেসের সমর্থনে প্রাপ্ত সাংসদ পদ থেকে বেরিয়ে আসুন।” তাই আপাতত জোটের পরিপ্রেক্ষিতে সাঁইবাড়ি নিয়ে কোনো ব্যাক্তিগত আলোচনা চাইছেন না বিমান বসু, অধীর চৌধুরীরা।

Related Articles

Back to top button