নিউজপলিটিক্স

সংসদ উন্নয়ন তহবিল থেকে বরাদ্দের ঘোষণা করলেন বাবুল সুপ্রিয়।

নিজস্ব প্রতিবেদন: প্রথম থেকেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় বিজেপি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র সাথে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের একটা ঠান্ডা লড়াই জারি রয়েছে সেই বিষয়টি আগেই প্রকাশিত হয়েছে। কয়েকদিন আগে পর্যন্তই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্ব চলে যাওয়ার পরে বাবুল সুপ্রিয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে যথেষ্ট ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্ব চলে যাওয়ার পরেই ব্যথিত চিত্তে বাবুল সুপ্রিয় বলেছিলেন যে তাঁকে মন্ত্রীপদ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। সেই সাথে কয়েকদিন আগেই তিনি ফেসবুকে ঘোষণা করেছেন যে বিজেপির সাহচর্য তিনি ত্যাগ করবেন অর্থাৎ তিনি সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন।

এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে যথেষ্ট চাঞ্চল্যের সূত্রপাত হয়েছিল। অবশেষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার অনুরোধে সাংসদ পদে থাকতে রাজী হন বাবুল সুপ্রিয়। তবে ফেসবুক পোস্টেই রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের সাথে তার ঠান্ডা লড়াইয়ের বেশ কিছুটা আবহ প্রকাশ করেছিলেন বাবুল সুপ্রিয়।বাবুল ঘোষণা করেছেন যে তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে না অংশগ্রহণ করলেও তিনি তাঁর সাংসদ ধর্ম পালন করবেন।

আরও পড়ুন-এই প্রথম বিশ্ব আদিবাসী দিবসে ঝাড়গ্রাম যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এবার আসানসোল বাসীর উন্নয়নে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাবুল। আসানসোলের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে তিনি তাঁর সাংসদ তহবিল থেকে হাই মাস্ট লাইট পোস্ট লাগানোর প্রকল্পে সায় দিয়েছেন।ফেসবুক পোস্ট করে বাবুল লিখেছেন, “বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষজন ফেসবুকের মাধ্যমে আমার কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন যে এলাকার মানুষের সুবিধার জন্য হাই মাস্ট লাইট লাগাতে । তাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে মানুষের উন্নয়নের দরুন আমি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে হাই মাস্ট লাইট লাগানোর অনুমোদন দিয়েছি।

আরও পড়ুন-তীব্র জল যন্ত্রণায় এলাকার মানুষজন। কোদাল হাতে নিজেই ড্রেন পরিষ্কার করতে নেমে পড়লেন বিজেপি নেতা।

আমার সাংসদ তহবিল থেকে এই লাইট লাগানোর অনুমোদন দিলাম। আশা রাখছি রাজ্য সরকারের এক্সিকিউটিভ এজেন্সি পুজোর আগেই এই লাইট লাগানোর কাজ সম্পন্ন করবেন। এর ফলে বহু মানুষ উপকৃত হবেন।” এছাড়াও বাবুল লিখেছেন,”যাঁরা লিখেছেন পাঁচ লক্ষ টাকা অনেক বেশি, তাঁদের বলি যে, MPLAD FUND এর সমস্ত কাজের টেন্ডার ডাকে এক্সিকিউটিভ অথরিটি অর্থাৎ এক্ষেত্রে আসানসোল কর্পোরেশন বা ADDA, যে টাকাটা বাঁচে সেটা সাংসদ তহবিলে আবার ফেরত চলে যায় |

সেই টাকা তখন আমরা অন্য কোনো কাজে সদ্ব্যবহার করে থাকি।”

Related Articles

Back to top button