আজ বিকালে রাজ্যপালের সাথে রাজভবনে দেখা করতে চলেছেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কি কারণে? উঠলো জল্পনা

আজ বিকালে রাজ্যপালের সাথে রাজভবনে দেখা করতে চলেছেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কি কারণে? উঠলো জল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদন: মুকুল ইস্যুতে উত্তাল হয়েছে বিধানসভা। বিজেপি প্রথম থেকেই মুকুল রায়ের পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান পদে আসীন হ‌ওয়ার প্রবল বিরোধিতা করেছে । এবার মুকুল রায়কে এই কমিটির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করার বিরোধিতা করে আদালতে যাওয়ার কথা ঘোষণা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি পরিষদীয় দল এমনটাই জানিয়েছে।

এমনিতেই মুকুল রায়ের দলত্যাগ নিয়ে অনেক আগেই আদালতে যাবে বলে জানিয়েছিল রাজ্য বিজেপি। ‌ এবার পিএসি চেয়ারম্যান পদে মুকুলের অন্তর্ভুক্তিকরণ নিয়েও আদালতে মামলা করতে চলেছে বিজেপি।এই সপ্তাহেই শুভেন্দু অধিকারী দুটি মামলা দায়ের করতে চলেছেন বলে জানা গিয়েছে। মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করার দাবির সাথে সাথে তাঁর পিএসি চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুন-কালীঘাটে প্রশান্ত কিশোর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সীর বৈঠকের কথাবার্তা ফাসঁ। রেকর্ডার ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে শুভেন্দু অধিকারী একটি ছবি পোস্ট করে প্রমাণ দিয়েছেন যে, পিএসি চেয়ারম্যান মুকুল রায় তৃণমূলের লোক। ছবিটিতে দেখা গিয়েছে, একুশে জুলাই উপলক্ষে তৃণমূল কংগ্রেসের যে ভার্চুয়ালি সভার আয়োজন করা হয়েছিল সেই ভার্চুয়ালি সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন মুকুল রায়। এই ছবিটিই শুভেন্দু অধিকারী টুইট করেছেন।এই আবহের মধ্যে আজ বিকেলে রাজভবনে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সাথে দেখা করতে চলেছেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। ‌

আরও পড়ুন-একুশের ভোটের পর দিল্লিতে প্রথম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাক্ষাৎ হতে চলেছে।

এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে যথেষ্ট জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে তৃণমূল প্রথম থেকেই অভিযোগ করে আসছে যে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বিজেপির হয়ে কাজ করছেন, আবার বিজেপি অভিযোগ তুলেছে যে বিধানসভার স্পীকার রাজ্য সরকারের অঙ্গুলিহেলনে কাজ করে চলেছে। তাই এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের সাথে বিধানসভার স্পীকার কি কারণে সাক্ষাৎ করতে চলেছেন সেই বিষয়ে যথেষ্ট কৌতূহলের মধ্যে রয়েছে রাজ্যবাসী।