নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“অরবিন্দ, কৈলাসরা কোথায় ?”- আবার কেন্দ্রীয় নেতাদের কটাক্ষ করলেন তথাগত রায়

নিজস্ব প্রতিবেদন: মুকুল রায়ের বিজেপিতে প্রত্যাবর্তনের পরেই তাঁর পথে পা বাড়িয়ে রয়েছেন রাজীব বন্দোপাধ্যায় সহ বিজেপির আরো নেতারা। মুকুল রায় নিজে বলেছেন যে তার সাথে বহু বিজেপি নেতারা যোগাযোগ করছেন তৃণমূলে আসবে বলে। এদিকে মুকুল রায় তৃণমূল প্রত্যাবর্তন করার পর থেকেই নির্বাচনী বিপর্যয়ের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য নেতৃত্ব এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন রাজ্যের বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। অনেকেই বলেছেন, নির্বাচনী প্রচারে হিন্দিভাষী নেতাদের আধিপত্য ভালোভাবে নেয়নি বাংলার মানুষ জন।

যার দরুণ এবার বিজেপির হারের পরেই বাংলায় বাড়ছে গেরুয়া শিবিরে ভাঙনের ঘটনা। একুশের ভোটের আগে ব্যাপকভাবে ভাঙন দেখা দিয়েছিলো তৃণমূলে। এবার ঠিক উল্টো পরিস্থিতি বিজেপিতে। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ভীড় জমাচ্ছেন তৃণমূল নেতা কর্মীরা।

আরও পড়ুন-বাবুল সুপ্রিয়র নামে মিসিং পোস্টার পড়লো জামুড়িয়ার

গতকাল তৃণমূলে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগদান করেছেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। যার দরুণ যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি শিবির।এই আবহে কেন্দ্রীয় নেতাদের আক্রমণ করেছেন বিজেপি নেতা তথাগত রায়। এর আগেও তিনি কৈলাস বিজয়বর্গীয়র বিরুদ্ধে কটাক্ষ করে পোস্ট করেছিলেন যে, “মমতা পিসি , এই ভোদা বিড়ালটাকেও তৃণমূলে নিয়ে নিন, সারাদিন মুকুল রায়ের সাথে ফিসফিস করতো।”

রও পড়ুন-এবার নদীয়াকে পৃথক রাজ্য করার দাবি বিজেপির বিরুদ্ধে। বিজেপির অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে।

গতকাল তিনি টুইট করে লিখেছেন, “রাজ্যে ক্রমাগত বিজেপি কর্মীদের ওপর আক্রমণ করা হচ্ছে, তাদের মারধর করা হচ্ছে, তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কর্মীরা নিরাপত্তা পাচ্ছেন না। রাজ্য প্রশাসন নির্বিকার। এইসময় অরবিন্দ মেনন, কৈলাস বিজয়বর্গীয়রা কোথায় গেলেন? এই সময় তাদের মানুষের সাথে থাকা উচিৎ ছিলো।”

প্রসঙ্গত দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “আমরা কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে পারছিনা বলেই কর্মীরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছে।” কার্যত তাঁরই সুরে সুর মিলিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের কটাক্ষ করলেন তথাগত রায়।

Related Articles

Back to top button