নিউজআন্তর্জাতিকদেশ

আফগানিস্তানে তালিবানি সন্ত্রাসের দরুন আফগান পাত্রের সাথে বিয়ে ভেঙে দিলেন আরশি।

নিজস্ব প্রতিবেদন: আফগানিস্তানে তালিবান শাসন কায়েম হ‌ওয়ার পরেই আফগানিস্তান ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে বহু মানুষ পালিয়ে যাচ্ছেন। মরিয়া হয়ে বিমানের চাকা ধরে পালাতে গিয়ে বিমান থেকে পড়ে মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হয়েছে দুই জনের। কাবুলের এয়ারপোর্টে বিমান ওঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হলেও আজ তা খুলে দেওয়া হয়েছে।

তালিবানরা মহিলাদের নির্দেশ দিয়েছে বাড়িতে থাকতে, এবং সমস্ত প্রশাসনিক দপ্তর থেকে মহিলাদের বের করে দেওয়া হয়েছিলো। তবে তালিবান জানিয়েছে শরিয়তী আইন মেনে মহিলারা কাজ করতে পারবেন। বাচ্চাদের হাত থেকে ব‌ই খাতা কেড়ে নিয়ে তাদের হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে তালিবান জেহাদীরা। মহিলাদের পায়ে পরাধীনতার শিকল পরিয়েছে তারা। মহিলাদের উপর একগুচ্ছ বিধিনিষেধ আরোপ করেছে তালিবান জেহাদীরা।

আরও পড়ুন-“তালিবানরা অতিথি বৎসল”- আবার আফগানিস্তানের ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন কলকাতার ছেলে তমাল।

যেমন,হাইহিল জুতো মহিলারা পরতে পারবেন না, বোরখা ছাড়া এবং পুরুষ সঙ্গী ছাড়া বাইরে বেরোতে পারবেন না মহিলারা। এছাড়াও মেয়েদের স্কুলে খেলাধুলা, গান বাজনা করা যাবেনা বলে ফতোয়া দিয়েছে তালিবানরা।এদিকে তালিবানি সন্ত্রাসের ফলে আফগান পাত্রের সাথে বিয়ে ভেঙে দিলেন বিগ বস প্রতিযোগী আরশি খান । আরশির বাবা এক আফগানি পাত্রের সাথে তার বিয়ে স্থির করেছিলেন। পাত্র হলো একজন ক্রিকেটার ।

তবে আগামী অক্টোবরে তাঁদের বাগদান হওয়ার কথা থাকলেও আফগানিস্তানে তালেবানের ভয়াবহ সন্ত্রাসের দরুন এইবিয়ে স্থগিত রেখে দিয়েছেন আরশির বাবা। অভিনেত্রী আরশি খানের‌ও এতে সম্মতি রয়েছে।আরশি বলেছেন, “আমি জন্মসূত্রে আফগানিস্তানের বংশোদ্ভূত। তবে আমার যখন ৪ বছর বয়স তখন আমি ভারতে চলে এসেছিলাম আমার পরিবারের সাথে। আমার পরিবার পাঠান গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

আরও পড়ুন-“ভ্রান্ত ক্ষমার আশ্বাস।”- আফগানিস্তানের রাস্তায় অধিবাসীদের বেদম প্রহার তালিবানের।

আমি এখন ভারতীয় নাগরিক এবং আমার কাছে ভারত সরকারের অনুমোদিত পরিচয় পত্র বর্তমান। আমাকে বহুবার পাকিস্তানি নাগরিক বলে কটাক্ষ করা হয়েছে। ‌ কিন্তু আদতে আমি একজন আফগানিস্তান বংশোদ্ভূত হলেও বর্তমানে ভারতীয় নাগরিক। আফগানিস্তানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত রয়েছি। আফগানিস্তানের মহিলাদের জন্য ভেবে আমি অত্যন্ত শঙ্কিত হয়ে পড়ছি।”

Related Articles

Back to top button