নিউজপলিটিক্সরাজ্য

ত্রিপুরার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ আছড়ে পড়ল জলপাইগুড়িতে। ভাঙচুর বিজেপির পার্টি অফিস। পোড়ানো হলো অমিত শাহের কুশপুতুল।

নিজস্ব প্রতিবেদন: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে ত্রিপুরার মাটিতে দেখানো হয়েছে কালো পতাকা এবং তাঁকে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে বিজেপি কর্মীরা লাঠি দিয়ে অভিষেকের কনভয়ে আঘাত করছেন। এই ঘটনায় রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। এবার এই ক্ষোভের আঁচ এসে পৌঁছে গিয়েছে জলপাইগুড়ির মাটিতে।

সর্বভারতীয় তৃণমূল সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে জলপাইগুড়ি তে বিজেপির অফিস ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।জানা গেছে গত সোমবার সন্ধ্যেবেলা জলপাইগুড়ির ওই বিজেপি পার্টি অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা। তারপরের দিন সকালেই অর্থাৎ গতকাল মঙ্গলবার পার্টি অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তৃণমূল কর্মীরা।

আরও পড়ুন-“অমিত শাহ যদি বুধবার সংসদে উপস্থিত হন তাহলে মাথা মুড়িয়ে নেবো”- খোলা চ্যালেঞ্জ তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েনের”

বিজেপির ওই পার্টি অফিসের সামনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের কুশপুতুল পোড়ানো হয়। ‌ তারপরই উত্তেজিত তৃণমূল কর্মীরা বিজেপি পার্টি অফিসে ঢুকে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি কর্মী সমর্থক রা। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় যুব তৃণমূল কর্তৃপক্ষ। ‌এই ঘটনার দায়ভার তৃণমূল নেতা সৈকত চ্যাটার্জী উপর চাপিয়ে দিয়েছেন জলপাইগুড়ি বিজেপি নেতা শ্যাম প্রসাদ ।

শ্যাম প্রসাদ বলেছেন, “তৃণমূল দল টাই হচ্ছে গুন্ডাদের দল। এরা ভাঙচুর চালাবে, হই হট্টগোল করবে, কিছু ঘটনা হলেই আমাদের পার্টি অফিসের সামনে এসে চিৎকার চেঁচামেচি করবে, পার্টি অফিস ভাঙচুর করবে ,এটাই এদের নেত্রী বিধান দিয়েছে। নেত্রীর নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করছে। ‌ তৃণমূলের যুব নেতারা আমাদের পার্টি অফিস ভাঙচুর করেছে।

আরও পড়ুন-কংগ্রেসের আমন্ত্রণে প্রাতরাশ বৈঠকে রণকৌশল স্থির করলেন তৃণমূলসহ বিজেপি বিরোধী নেতারা

‌ জেলা সভাপতির দৌড়ে আগে আসতে চাইছেন সৈকত চ্যাটার্জী। ‌ তৃণমূল এসব করে আগামী পৌরসভা ভোটে জিততে পারবে না। আগামী পৌরসভা ভোটে আমাদের জয়জয়কার হবে।”কিন্তু এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতা সৈকত চ্যাটার্জী।

তিনি বলেছেন যে, “আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর উপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছিলাম। আমাদের দলীয় কর্মীরা কখনো কোনো রকম ভাঙচুর চালায় নি। আগামী ২০২৩ সালে জলপাইগুড়ির মাটিতে বিজেপির আর কোন চিহ্ন থাকবে না।”

Related Articles

Back to top button