ফের নক্ষত্রপতন বাংলা সংগীত জগতে, ক্যান্সারে আ’ক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন এন্ড্রু কিশোর।

২০২০ সালকে মানুষ মনে রেখে দেবে শুধুমাত্র ধ্বং-সের বছর হিসাবে। এই অভিশপ্ত বছরটি বহু মানুষের প্রাণ কেড়েছে। মানুষের জীবনযাত্রার চেনা স্বাভাবিক চিত্রটাকে এক লহমায় পাল্টে দিয়েছে এই বছর। লকডাউন দেখেছে মানুষ। এখনও জারি রয়েছে লকডাউন। সমানে চলছে করোনায় আ-ক্রা-ন্ত মানুষের মৃ-ত্যু-মিছিল। প্রতিনিয়ত মানুষ ল-ড়া-ই করে যাচ্ছে মৃ-ত্যু-ভয়ের সাথে। মৃ-ত্যু নামক বিভীষিকা সবসময়ই তাড়া করে বেড়াচ্ছে মানুষকে।’

আরও পড়ুন- একে নিন্মচাপের জের, তার ওপর পূর্ণিমায় ফুঁসছে দিঘা, উপচে পড়ছে বৃহৎ আকারের ঢেউ, সেই জলের তোড়ে ভেসে এল মৃ’তদেহ

ভারতের বলিউডের এবং টলিউডের অনেক প্রবাদপ্রতিম শিল্পী হারিয়ে গিয়েছেন তারাদের দেশে। এবার বাংলাদেশের এক বিখ্যাত শিল্পী চলে গেলেন সেই না ফেরার দেশে। এই প্রবাদপ্রতিম শিল্পীর গান এক করে দিয়েছিলো দুই বাংলাকে। মা-র-ণরোগ ব্লাড ক্যা-নসারে ভুগছিলেন এই বিখ্যাত গায়ক। গত বছর সেপ্টেম্বরে সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন চিকিৎসা করানোর জন্য। নন-হজকিন লিম্ফোমা নামক মা-রণ ব্লাড ক্যানসারের শিকার হয়েছিলেন তিনি।

লাস্ট স্টে-জে এই রো-গ ধরা পড়ে তাঁর। লিভার এবং স্পাইনাল কর্ডে ছড়িয়ে পড়েছিলো ক্যানসার। এই শিল্পী অনুরোধ করেন তাঁকে মাতৃভূমি তে ফিরিয়ে আনার জন্য। অবশেষে তাঁকে ১১ ই জুন তাঁকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। মাসখানেক আগে হুইলচেয়ারে বসা অবস্থাতেই তাঁর বিখ্যাত গানটি গেয়েছিলেন এই গায়ক। ‘জীবনের গল্প বাকি আছে অল্প’ – এই গানটি তিনি গেয়েছিলেন ওই স্টেজে। হ্যাঁ ! তিনি হলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় গায়ক এন্ড্রু কিশোর।

আরও পড়ুন- দুধে জল মেশানো আছে কি না বুঝবেন কিভাবে? জেনে নিন একটি সহজ উপায়

সোমবার সন্ধ্যা ৭ টায় জীবনের গল্পের পরিসমাপ্তি ঘটেছে এই বিখ্যাত প্লে ব্যাক সিঙ্গারের। মৃ-ত্যু-কালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৬৫ বছর। রাজশাহীতে নিজের জন্মভিটেতে জীবনে ইতি ঘটেছে তাঁর।এই শিল্পীর মৃ-ত্যু-তে সারা বাংলাদেশ তথা ভারত‌ও শোকস্তব্ধ।শিল্পীর মৃ-ত্যু হয় কিন্তু থেকে যায় তাঁর সৃষ্ট শিল্পকীর্তি

এখানে আপনার মতামত জানান