নিউজকলকাতাপলিটিক্সরাজ্য

ভোটের পরেই আবার ময়দানে নামছেন তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে পশ্চিমবঙ্গে জয়জয়কার তৃণমূল কংগ্রেসের। ২১৩ টি আসন নিয়ে আবার তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি প্রথম থেকে প্রবল হবে চেষ্টা করেছিল নবান্নকে নিজেদের দখলে আনার। বিজেপির স্টার প্রচারকরা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা দিনের পর দিন বাংলার মাটিতে ব্যাপকভাবে প্রচার করেছেন, রোড শো করেছেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও বাংলার মানুষের বিশ্বাস অর্জনে অসমর্থ হয়েছেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা।ভরাডুবি ঘটেছে বিজেপির।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মুখ্যমন্ত্রীর বাংলার মানুষের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রচার সভা থেকে দেওয়া জনমোহিনী প্রতিশ্রুতি গুলি এবারে তৃণমূলকে জয়ের মুখ দেখতে অনেকটাই অনুকূল পরিস্থিতি এনে দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর জয়ের অন্যতম কান্ডারি ছিলেন তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর বা পিকে। যেখানে নির্বাচনের আগে বাংলায় পালাবদলের হাওয়া বয়ে গিয়েছিলো সেখানে পিকে প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেছিলেন যে একুশের ভোটে দুই সংখ্যার আসন পার করতে পারবে না বিজেপি।

আরও পড়ুন-“কে কেন দেখা করতে গিয়েছিলেন জানিনা”- হাসপাতালে মুকুলের স্ত্রীকে দিলীপ ঘোষের দেখতে যাওয়া নিয়ে মন্তব্য মুকুলের।

ফলাফলের শেষে প্রশান্ত কিশোর টানা একমাসের ছুটি নিয়েছিলেন।তাঁর সংস্থা আইপ্যাকের কর্মীরাও ছিলেন ছুটিতে। এবার ছুটি কাটিয়ে আবার বাংলার রাজনৈতিক ময়দানে নামছেন পিকে। ভোটের আবহে তৃণমূলের জয়ের লক্ষ্যে অবিচলভাবে বাংলার প্রতিটি ব্লকে ব্লকে প্রায় ৫০০ জনের টিম কাজ করছিলো প্রশান্তের। এবার সামনে রয়েছে ‘মিশন ২০২৪’ এ দিল্লি দখল।

আরও পড়ুন-“নদীবাঁধের টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। দূর্নীতিবাজদের রেহাই নয়।”- রামনগর থেকে বললেন অভিষেক।

এই পিকেই তৃণমূলের অন্যতম হিট পরিকল্পনা দুয়ারে সরকার, বাংলার গর্ব মমতা, বাংলা নিজের মেয়েকেই চায় প্রভৃতি কর্মসূচি গুলির মূল হোতা। কয়েকদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং হয়ে উঠেছে ‘বাঙালি প্রধানমন্ত্রী চাই।’ সেই দিকে লক্ষ্য রেখে এবার দিল্লির দিকে নজর তৃণমূলের। তাই আবার ময়দানে উন্নীত হয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। দেখা যাক তাঁর যাদুমন্ত্র এবারে তৃণমূলকে তাঁর অভীষ্ট লক্ষ্যপূরণে সফলতা এনে দেয় কি না।

Related Articles

Back to top button