বাংলায় বিপর্যয়ের পর সারা দেশে মমতা বিরোধী হাওয়া তৈরিতে আসরে নামছে বিজেপি।

বাংলায় বিপর্যয়ের পর সারা দেশে মমতা বিরোধী হাওয়া তৈরিতে আসরে নামছে বিজেপি।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বিজেপি প্রথম থেকে প্রবল হবে চেষ্টা করেছিল নবান্নকে নিজেদের দখলে আনার। বিজেপির স্টার প্রচারকরা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা দিনের পর দিন বাংলার মাটিতে ব্যাপকভাবে প্রচার করেছেন, রোড শো করেছেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও বাংলার মানুষের বিশ্বাস অর্জনে অসমর্থ হয়েছেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। ভরাডুবি ঘটেছে বিজেপির। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন,

মুখ্যমন্ত্রীর বাংলার মানুষের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রচার সভা থেকে দেওয়া জনমোহিনী প্রতিশ্রুতি গুলি এবারে তৃণমূলকে জয়ের মুখ দেখতে অনেকটাই অনুকূল পরিস্থিতি এনে দিয়েছেএকুশের ভোটে বাংলার মাটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অশ্বমেধ যজ্ঞের ঘোড়া একাই রুখে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই সারা রাজ্যের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট ট্রেন্ডিং হয়ে উঠছে, ‘বাঙালি প্রধানমন্ত্রী চাই।’

আরও পড়ুন-নীতি আয়োগের রিপোর্টে বাংলার থেকেও এগিয়ে ত্রিপুরা।

নেটিজেনরা হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করে বারবার দাবি করছেন এবারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে অনেকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। দেশের বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতারা প্রধানমন্ত্রী পদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে যথেষ্ট উপযুক্ত বলে মনে করছেন। এদিকে বিজেপি বাংলার মাটিতে ভরাডুবির পর সারা দেশজুড়ে মমতা বিরোধী হাওয়া তৈরি করতে উঠেপড়ে লেগেছে।

আরও পড়ুন-মুকুল রায়ের স্ত্রীকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন লকেট। ছিলেন না মুকুল, শুভ্রাংশু।

১৩ টি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নেতাদের সাথে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছে বিজেপির দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী এবং কৈলাস বিজয়বর্গীয় সহ বেশ কয়েকজন নেতা মন্ত্রীরা। বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসাত্মক পরিস্থিতিকে জনসমক্ষে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি। বিজেপি প্রথম থেকেই প্রতিবাদ করে আসছে যে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের হাতে আক্রান্ত হচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা।

এখনো পর্যন্ত বহু বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া হয়ে রয়েছেন। ‘দেশ কে সাথ এক সংবাদ’ নামক এক কর্মসূচী গ্রহণ করেছে বিজেপি। এর পোস্টারে দেওয়া রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং জে পি নাড্ডার ছবি। স্লোগান দেওয়া হয়েছে, ‘বাংলা জ্বলছে, হিংসাই কি এর সমাধান?’