নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“১৭ মাস পর বিজেপি সরকারকে উৎখাত করবো ত্রিপুরা থেকে”- হুঙ্কার দিলেন অভিষেক।

নিজস্ব প্রতিবেদন: ত্রিপুরার রাজ্য রাজনীতিতে যথেষ্ট চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত রবিবার সকালেই গ্রেফতার করা হয়েছিলো তৃণমূল যুব’র সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত সহ মোট ১৪ জন তৃণমূলের নেতা নেত্রীদের। এই গ্রেফতারির বিষয়টি জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে ত্রিপুরা জুড়ে। দেবাংশু রা অভিযোগ করেছিলেন যে তাঁদের উপর বিজেপি কর্মীরা ব্যাপক আক্রমণ করেছে।

তাদের গাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ করেছেন দেবাংশু এবং লাইভ ভিডিওতেও দেখা গিয়েছে রক্তাক্ত হয়েছেন তৃণমূল নেতা কর্মীরা। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন দেবাংশুরা। তাই তাঁদের অতিমারি আইন ভঙ্গ করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিলো।তারপরেই খোয়াই থানায় উপস্থিত হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন-“আপনাদের কাঁধে পদ্মফুল নয়, অশোক স্তম্ভ রয়েছে”- ত্রিপুরার পুলিশকে গর্জে উঠে বললেন অভিষেক।

পুলিশকে তিনি প্রশ্ন করেছেন যে,”এই বিধি-নিষেধ লঙ্ঘন করার অভিযোগে ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু থানার বাইরে যে ২ হাজার বিজেপি কর্মীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাহলে তাদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন?” পুলিশ আধিকারিকদের সাথে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন ব্রাত্য বসু, কুনাল ঘোষ, এবং দোলা সেনরা । খোয়াই থানায় সমানে বসেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনিও পুলিশ আধিকারিক দের সাথে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। অভিষেক অভিযোগ করেছেন যে দেবাংশু দের গ্রেপ্তার করার পর থেকে সারা রাত তাদেরকে খেতে দেয়নি পুলিশ। এরপর আদালতে যুব তৃণমূল নেতাদের জামিন মঞ্জুর হয়। ‌ খোয়াই থানা থেকে বের হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র আক্রমণ জানিয়েছেন ত্রিপুরার বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি ।

আরও পড়ুন-কুনাল ঘোষের লেখা চিঠির উত্তর দিলেন অমিত শাহ

খোয়াই থানা থেকে বেরিয়ে বিজেপির প্রতি আক্রমণ শানিয়ে অভিষেক বলেছেন,”বিজেপি সরকার যদি ভাবে যে এইভাবে তৃণমূলের উপর আক্রমণ শানিয়ে, তাদের গাড়ি ভেঙে, কর্মীদের রক্তাক্ত করে তৃণমূল কে আটকে রাখবে তাহলে তারা ভুল করছে। ওরা আমাদের যত আঘাত করবে, আমাদের জেদ তত‌ই বাড়বে। বিপ্লব দেবের সরকার খুব শীঘ্রই শেষ হবে। বেশি দিন এই সরকার থাকবে না।

আমরা বিজেপি কে সমূলে উপড়ে ফেলবো। আগামী ১৭ মাস পরেই ত্রিপুরা থেকে বিজেপি সরকারকে হটিয়ে দেওয়া হবে।”

Related Articles

Back to top button